সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

উত্তর আমেরিকা
২:৫৯ অপরাহ্ন, ৬ অক্টোবর ২০২৬

ফায়ারিং স্কোয়াডে সাবেক সেনা মেজরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ট্রাম্পের অনুমোদন

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে কার্যকরের অনুমোদন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুডে গুলি চালিয়ে ১৩ জনকে হত্যার দায়ে নিদাল হাসানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। নিহত সবাই মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শন পার্নেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ […]

ফায়ারিং স্কোয়াডে সাবেক সেনা মেজরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ট্রাম্পের অনুমোদন
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে কার্যকরের অনুমোদন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুডে গুলি চালিয়ে ১৩ জনকে হত্যার দায়ে নিদাল হাসানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। নিহত সবাই মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শন পার্নেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সুপারিশের ভিত্তিতে কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে ট্রাম্প মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকরের অনুমোদন দিয়েছেন।

তবে কখন এবং কোথায় এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সচিব এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

২০০৯ সালে ফোর্ট হুডে হামলার সময় নিদাল হাসান ‘আল্লাহু আকবর’ বলে স্লোগান দিয়েছিলেন বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুসলিম দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়াও ওই হামলার পেছনে ভূমিকা রেখেছিল।

নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা চলছে। ট্রাম্প প্রশাসন ফায়ারিং স্কোয়াডের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক শক ও বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহারের মতো বিকল্প পদ্ধতিরও অনুমোদন দিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রধান পদ্ধতি ছিল প্রাণঘাতী ইনজেকশন। তবে এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ওষুধ সংগ্রহে বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হওয়ায় বিকল্প পদ্ধতির ব্যবহার নিয়ে আলোচনা ও উদ্যোগ বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরই মধ্যে গত সপ্তাহে টেনেসি অঙ্গরাজ্যে এক নারীর মৃত্যুদণ্ড প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে কার্যকর করার চেষ্টা করা হয়। তবে ইনজেকশন দেওয়ার পরও তার মৃত্যু হয়নি। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ