সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
২:১৭ অপরাহ্ন, ২৯ জুলাই ২০২৬

ফিলিস্তিনি স্কুল ও বসতবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার আইনি পথ উন্মুক্ত করল ইসরায়েলি আদালত

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন অঞ্চলের দক্ষিণে অবস্থিত মাসাফের ইয়াত্তা এলাকার একটি ফিলিস্তিনি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় এবং তিনটি বসতবাড়ি ভেঙে ফেলা ঠেকানোর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ইসরায়েলের একটি সামরিক আদালত। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর জন্য স্থাপনাগুলো যেকোনো সময় ধ্বংস করে বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করার সব আইনি পথ খুলে […]

ফিলিস্তিনি স্কুল ও বসতবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার আইনি পথ উন্মুক্ত করল ইসরায়েলি আদালত

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
১ মিনিটে পড়ুন |

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন অঞ্চলের দক্ষিণে অবস্থিত মাসাফের ইয়াত্তা এলাকার একটি ফিলিস্তিনি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় এবং তিনটি বসতবাড়ি ভেঙে ফেলা ঠেকানোর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ইসরায়েলের একটি সামরিক আদালত। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর জন্য স্থাপনাগুলো যেকোনো সময় ধ্বংস করে বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করার সব আইনি পথ খুলে গেল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাসাফের ইয়াত্তা এলাকার মেয়েদের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভাঙার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের পক্ষ থেকে সামরিক স্থগিতাদেশের আর্জি জানানো হয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদন বাতিল করে দেয়। উল্লেখ্য, ২০১৬ সাল থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ধ্বংসের হুমকির মুখে ছিল।

বিদ্যালয়টির পাশাপাশি স্থানীয় ফিলিস্তিনি অধিবাসীদের তিনটি বসতবাড়ি ধ্বংসের সামরিক আদেশের বিরুদ্ধে আনা পৃথক তিনটি পিটিশনও একই রায়ে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

আইনি সুরক্ষা উঠে যাওয়ায় এখন যেকোনো মুহূর্তে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে অভিযান পরিচালনা করতে পারে। এতে করে যেমন স্থানীয় শতাধিক ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী তাদের শিক্ষার অধিকার হারাবে, তেমনি বসতবাড়ি হারিয়ে বেশ কিছু পরিবার গৃহহীন হওয়ার চরম ঝুঁকিতে পড়েছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ