যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের অবসান এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনার জন্য তিন দিনের সরকারি সফরে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) তার পাকিস্তানে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৬ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত এ সফরে গুতেরেস দেশটির প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের অবসান এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনার জন্য তিন দিনের সরকারি সফরে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) তার পাকিস্তানে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৬ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত এ সফরে গুতেরেস দেশটির প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার এবং সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব রাষ্ট্রদূত নাবিল মুনির জাতিসংঘ মহাসচিবকে স্বাগত জানান। সফরের শুরুতেই গুতেরেস পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসলামাবাদ দুই পক্ষকে সংযম দেখানো, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে বিরোধ সমাধান এবং ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের প্রতিশ্রুতিগুলো মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে আসছে।
জাতিসংঘের পক্ষ থেকেও গুতেরেসের পাকিস্তান সফরের সময়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের অবসানের আহ্বান জানানো হয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসলামাবাদে পৌঁছে তিনি যুদ্ধের অবসান এবং এর কারণে বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপর পড়া প্রভাবের বিষয়ে কথা বলেছেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সফরকালে জাতিসংঘ মহাসচিব জাতিসংঘের ভারত ও পাকিস্তান সামরিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠীর (ইউএনএমওজিআইপি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করবেন। একই সঙ্গে তিনি জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) কার্যক্রম সম্পর্কেও অবহিত হবেন।
জাতিসংঘ মহাসচিবের এই সফর পাকিস্তানের সঙ্গে জাতিসংঘের সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময়ের একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে ইসলামাবাদ। তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিয়ে আলোচনায় সফরটির নির্দিষ্ট ফলাফল কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।