সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

উত্তর আমেরিকা
৬:৫১ অপরাহ্ন, ৫ নভেম্বর ২০২৬

সিনেটর নির্বাচিত হয়েই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এল-সায়েদের

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার পর ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের পাশাপাশি দেশটির কাছে অস্ত্র বিক্রিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ড. আব্দুল এল-সায়েদ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধের সাম্প্রতিক ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও তাঁর নীতির সমালোচনা করেছেন নবনির্বাচিত এই ডেমোক্র্যাট সিনেটর। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের। মার্কিন জাতীয় বেতার […]

সিনেটর নির্বাচিত হয়েই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এল-সায়েদের

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে সিনেটর নির্বাচিত হওয়ার পর ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের পাশাপাশি দেশটির কাছে অস্ত্র বিক্রিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ড. আব্দুল এল-সায়েদ। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধের সাম্প্রতিক ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও তাঁর নীতির সমালোচনা করেছেন নবনির্বাচিত এই ডেমোক্র্যাট সিনেটর। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।

মার্কিন জাতীয় বেতার সংস্থা এনপিআরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে এল-সায়েদ বলেন, ‘একটি নষ্ট ঘড়িও দিনে দুইবার সঠিক সময় দেয়।’ এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, ট্রাম্পের অন্যান্য নীতির সঙ্গে একমত না হলেও ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধের সিদ্ধান্তকে তিনি সমর্থন করেন।

সম্প্রতি ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অনুরোধেই তিনি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দেশটিতে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী, এই সহায়তা ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলার কথা ছিল। ট্রাম্পের দাবি, ইসরায়েল এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল নয়। তাঁর মতে, সহায়তা বন্ধ হলে এল-সায়েদের মতো ডেমোক্র্যাট নেতাদের ইসরায়েলকে বিপুল মার্কিন সামরিক সহায়তা দেওয়ার সমালোচনার সুযোগও কমবে।

তবে এল-সায়েদের অবস্থান শুধু সামরিক সহায়তা বন্ধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ইসরায়েলের কাছে সব ধরনের মার্কিন অস্ত্র বিক্রি স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, এসব অস্ত্র ব্যবহার করে ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতন, বর্ণবাদ ও গুরুতর অপরাধ চালানো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের করের অর্থ বিদেশের যুদ্ধ ও সংঘাতে ব্যয় না করে দেশের অভ্যন্তরীণ মৌলিক চাহিদা পূরণে বিনিয়োগ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে বিজয়ী হওয়া এল-সায়েদ ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি—উভয় জনগোষ্ঠীর সমান অধিকার, শান্তি ও আত্মনিয়ন্ত্রণের পক্ষে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের কথা বললেও বাস্তবে এমন পক্ষগুলোকে অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে সহায়তা করেছে, যারা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ বন্ধ করতে চায়।

এ ছাড়া জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টারও সমালোচনা করেন এল-সায়েদ।

তাঁর মতে, বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে আচরণ করে, ইসরায়েলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ নীতি অনুসরণ করা উচিত।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ