উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রোমাঞ্চকর এক রাতে গোলবন্যা ও নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের সাক্ষী হয়েছেন ফুটবলপ্রেমীরা। বিভিন্ন ম্যাচে মোট ৪৬ গোলের উৎসবের মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটিকে তাদেরই মাঠে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। অন্যদিকে, রোমার বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তে ৪-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ইতিহাদে সিটির বিপক্ষে পিএসজির দাপট ম্যানচেস্টার সিটির মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে […]
ছবি: সংগৃহীত
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রোমাঞ্চকর এক রাতে গোলবন্যা ও নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের সাক্ষী হয়েছেন ফুটবলপ্রেমীরা। বিভিন্ন ম্যাচে মোট ৪৬ গোলের উৎসবের মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটিকে তাদেরই মাঠে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। অন্যদিকে, রোমার বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তে ৪-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
ম্যানচেস্টার সিটির মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে পিএসজি। প্রথমার্ধেই প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে যায় ফরাসি ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরুতে মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে গোল করেন দেসিরে দুয়ে ও উসমান দেম্বেলে। এরপর ৩২ মিনিটে ভিটিনহার গোলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় পিএসজি।
দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে সিটি। ৫৩ মিনিটে আর্লিং হলান্ড গোল করে ব্যবধান কমান। এরপর আক্লিওচের দূরপাল্লার শটে পিএসজির চতুর্থ গোল আসে। ৭৫ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে সিটির ঘুরে দাঁড়ানোর আশা জাগান হলান্ড। তবে শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি। সিটির পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন পিএসজি গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা।
ইতালির স্তাদিও অলিম্পিকোতে রোমার বিপক্ষে দারুণ এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেছে রিয়াল মাদ্রিদ। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর শেষ দিকে তিন গোল করে ৪-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে গেলেও দোনিয়েল মালেনের জোড়া গোলে চাপে পড়ে রিয়াল। একপর্যায়ে ৩-১ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল দলটি।
তবে শেষ দিকে ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেয় রিয়াল। ৮২ মিনিটে কার্লোস এসপি এবং ৮৫ মিনিটে এন্দ্রিক গোল করে সমতা ফেরান। এরপর ৯০ মিনিটে এরদা গুলারের কর্নার থেকে সাবেক রোমা ডিফেন্ডার আন্তোনিও রুডিগারের হেডে জয়সূচক গোলটি আসে।
রাতের অন্য ম্যাচগুলোতেও ছিল গোলের উৎসব। অস্ট্রিয়ার লাস্ককে ৬-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে লিভারপুল। দলের হয়ে ব্র্যাডলি বারকোলা হ্যাটট্রিক করেছেন।
অন্যদিকে, ফেনারবাচেকে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে অ্যাস্টন ভিলা। ক্লাবটির ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার ইতিহাসে অন্যতম বড় এই জয়ে জোড়া গোল করেন নিকোলাস জ্যাকসন ও রস বার্কলি।
সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এই রাতটি বড় জয়, শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা আর একের পর এক গোলের কারণে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকল।