সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

উত্তর আমেরিকা
৩:১৯ অপরাহ্ন, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াতেই চাপে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে ওঠা এবং মূল্যস্ফীতির নতুন চাপের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও অনিশ্চয়তা বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাজার খোলার পর ডাও জোন্স সূচক ০.৪ শতাংশ, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ০.৬ শতাংশ এবং প্রযুক্তিনির্ভর ন্যাসডাক সূচক ০.৯ শতাংশ কমে যায়। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের […]

তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াতেই চাপে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার

প্রতীকী AI ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে ওঠা এবং মূল্যস্ফীতির নতুন চাপের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও অনিশ্চয়তা বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাজার খোলার পর ডাও জোন্স সূচক ০.৪ শতাংশ, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ০.৬ শতাংশ এবং প্রযুক্তিনির্ভর ন্যাসডাক সূচক ০.৯ শতাংশ কমে যায়।

এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আগস্টের উৎপাদক মূল্যসূচক (PPI) গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.৪ শতাংশ বেড়েছে। জুলাইয়ে এই হার ছিল ৪.৮ শতাংশ। মাসিক হিসাবেও আগস্টে উৎপাদক মূল্য ০.৪ শতাংশ বেড়েছে।

মূল্যস্ফীতির এই তথ্য সামনে আসার পর আগামী সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার নিয়ে সিদ্ধান্তের দিকেও বাজারের নজর আরও বেড়েছে। বিনিয়োগকারীদের বড় উদ্বেগ হলো, জ্বালানি তেলের উচ্চ দাম মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় তেলের দামও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ১০৫ ডলারের ওপরে উঠে যায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দামও ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা জুলাইয়ের পর প্রথমবার।

তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বাড়লে তার প্রভাব অন্যান্য পণ্য ও সেবার দামেও পড়তে পারে বলে বাজারে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে পাইকারি ডিজেলের দাম এক মাসে ২৪.১ শতাংশ বেড়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বন্ডের সুদহারও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি নোটের সুদহার প্রায় ৪.৯২ শতাংশে ওঠে। একই সময়ে ৩০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদহারও ২০০৭ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছায়।

এখন বাজারের নজর শুক্রবার প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI) প্রতিবেদনের দিকে। এই তথ্য আগামী সপ্তাহের ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ