পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বলেছেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে সাম্প্রতিক টানাপোড়েনে পাকিস্তানের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের প্রতি হওয়া অবিচার সংশোধন করা এবং দেশটির প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া। মঙ্গলবার পেশোয়ারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। চলতি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের গ্রুপ ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছিল পাকিস্তান সরকার। গত ১ […]
ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বলেছেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে সাম্প্রতিক টানাপোড়েনে পাকিস্তানের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের প্রতি হওয়া অবিচার সংশোধন করা এবং দেশটির প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া।
মঙ্গলবার পেশোয়ারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
চলতি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের গ্রুপ ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছিল পাকিস্তান সরকার। গত ১ ফেব্রুয়ারি জানানো হয়, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় অনুষ্ঠেয় ম্যাচে পাকিস্তান দল মাঠে নামবে না। এ সিদ্ধান্ত ঘিরে আইসিসি ও পিসিবির মধ্যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে কয়েক দিনের ধারাবাহিক আলোচনা এবং আইসিসি-পিসিবি-বিসিবির মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর সোমবার রাতে পাকিস্তান সরকার তাদের অবস্থান থেকে সরে আসে এবং ম্যাচে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
এরপর এক বিবৃতিতে আইসিসি জানায়, ভারতে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের স্বত্বও দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকে।
এ বিষয়ে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বলেন, ‘বাংলাদেশ ছাড়া আমাদের আলোচনায় অন্য কোনো শর্ত ছিল না। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের প্রতি হওয়া অবিচার দূর করা এবং তাদের সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ যা চেয়েছে, সবই মেনে নেওয়া হয়েছে। আমাদের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ ছিল না। সরকারও সেই বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যখন স্বীকার করা হয়েছে যে বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে এবং তাদের দাবি মানা হয়েছে, তখনই আমরা আবার খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
প্রসঙ্গত, নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে গিয়ে খেলতে বাংলাদেশ সরকার অনুমতি না দেওয়ায় আইসিসি বোর্ডের ভোটে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সে সময় এই সিদ্ধান্তকে ‘দ্বিমুখী নীতি’ বলে সমালোচনা করেছিলেন নাকভি।
পিসিবি চেয়ারম্যানের মতে, সাম্প্রতিক সমঝোতা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ন্যায্যতা ও সমতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত এড়াতে সহায়ক হবে।