সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বাংলাদেশ
৪:১৮ অপরাহ্ন, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেন কিনছে সরকার, ব্যাখ্যা দিলেন তথ্য উপদেষ্টা

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ পরিচালনা করে আসছে। এ কারণে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত জনবল ও কারিগরি সহায়তার প্রস্তুতি আগে থেকেই থাকায় এই নির্মাতার প্রতি সরকারের কিছুটা বেশি আগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এক […]

বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেন কিনছে সরকার, ব্যাখ্যা দিলেন তথ্য উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ পরিচালনা করে আসছে। এ কারণে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত জনবল ও কারিগরি সহায়তার প্রস্তুতি আগে থেকেই থাকায় এই নির্মাতার প্রতি সরকারের কিছুটা বেশি আগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে গত ৩০ এপ্রিল চুক্তি করে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। চুক্তি অনুযায়ী, এসব উড়োজাহাজ কিনতে ব্যয় হবে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে উড়োজাহাজগুলো সরবরাহ করার কথা রয়েছে।

এত বড় অঙ্কের কেনাকাটায় দেশের অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় অর্থনীতি বেশ খারাপ অবস্থায় ছিল। তবে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজগুলোর মূল্য একসঙ্গে পরিশোধ করতে হবে না; দীর্ঘ সময় ধরে ধাপে ধাপে অর্থ পরিশোধ করা হবে।

তিনি বলেন, নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার কারণে সরকারের ওপর তাৎক্ষণিক কোনো বড় আর্থিক চাপ তৈরি হবে না। রাষ্ট্রের সংকট থাকলেও প্রয়োজনীয় কিছু বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে এগিয়ে যেতে হয়।

অর্থনৈতিক সংকটও সরকার কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তথ্য উপদেষ্টা। তার ভাষ্য, সংকট কাটিয়ে উঠতে খুব বেশি সময় লাগবে না এবং প্রয়োজনীয় উড়োজাহাজ কেনার কারণে অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হবে না।

এর আগে গত ৩১ আগস্ট বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনছে। পাশাপাশি আরও উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন। তবে একই সঙ্গে ফ্রান্সের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকেও উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়।

এয়ারবাসের কাছ থেকেও উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ এয়ারবাস থেকেও উড়োজাহাজ কিনবে। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আগেই আলোচনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বোয়িংয়ের পাশাপাশি এয়ারবাসকেও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকেও এয়ারবাসের সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনা চলছে। প্রয়োজন অনুযায়ী উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে কোনো একটি নির্মাতাকে বাদ দিয়ে অন্যটিকে বেছে নেওয়ার বিষয়টি সরকারের অবস্থান নয়।

সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও এয়ারবাসের প্রস্তাবকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার মতে, এয়ারবাস বাংলাদেশের জন্য প্রতিযোগিতামূলক একটি প্রস্তাব দিয়েছে এবং এ বিষয়ে দ্রুত আলোচনা শেষ হওয়া উচিত।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ