রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেরিতে হলেও জাতির ওপর থেকে স্বৈরাচারের কালো ছায়া সরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ […]
ছবি: সংগৃহীত
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেরিতে হলেও জাতির ওপর থেকে স্বৈরাচারের কালো ছায়া সরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাকে অভিনন্দন জানান ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি সংবিধানসম্মত, নিরপেক্ষ ও সৎভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদে না থাকা। তার অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি একসময় বলেছিলেন শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন, পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করেন। তার মতে, এটি রাষ্ট্রপতির শপথের পরিপন্থী।
তিনি বলেন, “দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া কালো ছায়া সরে গেছে।”
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের জনগণ আশা করে তিনি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ দায়িত্ব পালনে জামায়াতে ইসলামী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলেও জানান তিনি।
পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, নতুন রাষ্ট্রপতি এমন একজন হওয়া উচিত, যিনি কোনো পক্ষের তোষামোদকারী নন এবং সংবিধান ও রাষ্ট্রের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।
সংবাদ সম্মেলনে সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের গণহত্যার সময় তিনি নীরব সহযোগীর ভূমিকা পালন করেছেন বলে তাদের অভিযোগ।