সৌদি আরবে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং নিরীহ মানুষের জীবন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। বাংলাদেশ সৌদি আরবের সরকার ও জনগণের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ […]
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং নিরীহ মানুষের জীবন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। বাংলাদেশ সৌদি আরবের সরকার ও জনগণের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে এ ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পৃথক দুটি হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তিন সৌদি নাগরিক নিহত হন। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের আরও কয়েকজন নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ সামান্য আঘাত পেয়েছেন, আবার কারও অবস্থা গুরুতর। হামলার পরপরই তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।
প্রথম হামলাটি বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনায় আঘাত হানে। দ্বিতীয় হামলার লক্ষ্য ছিল সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়ার একটি উড়োজাহাজ। হামলায় বিমানবন্দরের কিছু স্থাপনা ও সম্পদেরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
হামলার পর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরে বিমানবন্দরের কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং আকাশপথে বিমান চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে।
এদিকে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা বৃহস্পতিবার রিয়াদ বিমানবন্দরে দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে। তবে হামলার বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত বিবৃতিতে দায়ীদের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
বিমানবন্দরসহ বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা ও সংহতি প্রকাশের মধ্য দিয়ে সৌদি আরবের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রতি ঢাকার অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।