প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের ১১৪টি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। এ ঘটনায় পয়েন্ট কর্তন থেকে শুরু করে শীর্ষ লিগ থেকে অবনমন, এমনকি ক্লাবটির নির্বাসনের মতো কঠোর শাস্তির আশঙ্কাও রয়েছে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও ম্যানচেস্টার সিটির প্রতি নিজের পূর্ণ আস্থা ধরে রেখেছেন ক্লাবটির কোচ এনজো মারেসকা। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে মারেসকা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, আপিলে […]
ছবি: সংগৃহীত
প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের ১১৪টি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। এ ঘটনায় পয়েন্ট কর্তন থেকে শুরু করে শীর্ষ লিগ থেকে অবনমন, এমনকি ক্লাবটির নির্বাসনের মতো কঠোর শাস্তির আশঙ্কাও রয়েছে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও ম্যানচেস্টার সিটির প্রতি নিজের পূর্ণ আস্থা ধরে রেখেছেন ক্লাবটির কোচ এনজো মারেসকা।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে মারেসকা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, আপিলে জয় পাওয়ার ব্যাপারে তিনি শতভাগ আত্মবিশ্বাসী। ক্লাবের ওপর তাঁর আস্থা অটুট এবং আপিলের ফলাফল নিয়ে তিনি আশাবাদী।
মারেসকা বলেন, ‘ক্লাবের ওপর আমার পুরোপুরি আস্থা আছে। ক্লাবের মানুষের ওপর আমার বিশ্বাস আছে বলেই এখানে যোগ দিয়েছি। পৃথিবীতে আর কোনো ক্লাবে আমি যেতে চাইতাম না।’
ক্লাবের চেয়ারম্যান খালদুন আল মুবারকের সঙ্গে এ বিষয়ে তাঁর আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে ম্যানচেস্টার সিটির কোচ জানান, ক্লাবের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সবাই আশাবাদী।
তিনি বলেন, ‘ক্লাবের সঙ্গে কথা বলেছি, অবশ্যই। আমরা সবাই আস্থাশীল। আপিলে জেতার পরই এ বিষয়ে কথা বলার সঠিক সময় আসবে।’
এদিকে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের কারণে ম্যানচেস্টার সিটির অতীতের সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও পেপ গার্দিওলার অধীনে ক্লাবটির ট্রফি জয়ের সময়কে ‘কলঙ্কিত’ বলতে নারাজ মারেসকা। তাঁর মতে, ক্লাবের সাফল্যের পেছনে খেলোয়াড়, কোচ ও সংশ্লিষ্ট সবার কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মত্যাগ রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে মারেসকা বলেন, ‘তখনকার কোচ পেপ, খেলোয়াড় এবং ক্লাবের প্রতিটি মানুষের আত্মত্যাগ ও পরিশ্রম আমি কাছ থেকে দেখেছি। সুতরাং এই উচ্চতায় পৌঁছাতে ক্লাব কতটা রক্ত-ঘাম ঝরিয়েছে, তা আমার খুব ভালো করেই জানা আছে।’
আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে সম্ভাব্য শাস্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও ম্যানচেস্টার সিটির আপিলের ওপরই এখন নজর রাখছেন মারেসকা। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, আইনি প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত ফল আসার আগে ক্লাবের সাফল্য ও পরিশ্রম নিয়ে কোনো নেতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চান না তিনি।