যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) নবনিযুক্ত প্রধান মার্কওয়েন মুলিন ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থানরত অপরাধে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। শুক্রবার লস অ্যাঞ্জেলেসের ডাউনটাউনে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কার্যালয়ে অবৈধ অভিবাসীদের হাতে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) নবনিযুক্ত প্রধান মার্কওয়েন মুলিন ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থানরত অপরাধে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে।
শুক্রবার লস অ্যাঞ্জেলেসের ডাউনটাউনে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কার্যালয়ে অবৈধ অভিবাসীদের হাতে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করা মার্কওয়েন মুলিন ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘটিত অপরাধের জন্য অবৈধ অভিবাসীদের দায়ী করে ফেডারেল অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়হীনতার সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, ফেডারেল সংস্থাগুলোর সঙ্গে রাজ্য ও স্থানীয় প্রশাসন আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করলে অনেক অপরাধীকে আগেই শনাক্ত ও বহিষ্কার করা সম্ভব হতো। তার দাবি, অবৈধ অভিবাসীদের দ্বারা সংঘটিত অনেক সহিংস অপরাধ প্রতিরোধ করা যেত।
বৈঠকে অংশ নেওয়া নিহতদের পরিবারের সদস্যরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তাদের মধ্যে ছিলেন অ্যাগনেস গিবনি, ডন রোজেনবার্গ এবং অ্যাঞ্জি মরফিন, যাদের পরিবারের সদস্যরা অতীতে সহিংস অপরাধের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
পরিবারগুলোর বক্তব্য শোনার পর মুলিন বলেন, এসব ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, বরং জননিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান।
মার্কওয়েন মুলিন আরও বলেন, ফেডারেল অভিবাসন আইন বাস্তবায়নে বাধা দিলে বা অপরাধীদের সহায়তা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তিনি অভিবাসন আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে “জিরো টলারেন্স” বা শূন্য সহনশীলতার নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
একই সঙ্গে তিনি জানান, জননিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বড় আয়োজনকে সামনে রেখে ফেডারেল সরকার ক্যালিফোর্নিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে। আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০২৮ সালের অলিম্পিক গেমসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে।
ডিএইচএসের নতুন প্রধানের এই বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসন এবং জননিরাপত্তা নিয়ে চলমান রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও জোরালো করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।