Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

USCIS
৪:১৩ পিএম, ২৭ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার ছাড়াই আদালতে পাঠাবে ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের (অ্যাসাইলাম আবেদনকারী) আবেদন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন নীতির আওতায় নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে আশ্রয় কর্মকর্তারা আবেদনকারীদের বাধ্যতামূলক প্রাথমিক সাক্ষাৎকার ছাড়াই সরাসরি অভিবাসন আদালতে পাঠাতে পারবেন। প্রশাসনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা মামলার জট কমানো এবং আবেদন নিষ্পত্তির গতি বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) […]

যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার ছাড়াই আদালতে পাঠাবে ট্রাম্প প্রশাসন

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের (অ্যাসাইলাম আবেদনকারী) আবেদন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন নীতির আওতায় নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে আশ্রয় কর্মকর্তারা আবেদনকারীদের বাধ্যতামূলক প্রাথমিক সাক্ষাৎকার ছাড়াই সরাসরি অভিবাসন আদালতে পাঠাতে পারবেন। প্রশাসনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা মামলার জট কমানো এবং আবেদন নিষ্পত্তির গতি বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) নতুন নীতির ঘোষণা দেয়। মঙ্গলবার এটি ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা (ইউএসসিআইএস)-এর আশ্রয় কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট কিছু অ্যাসাইলাম আবেদন প্রাথমিক সাক্ষাৎকার ছাড়াই সরাসরি বিচার বিভাগের অভিবাসন আদালতে পাঠাতে পারবেন। এর আগে অধিকাংশ আবেদনকারীকেই প্রথমে একটি বাধ্যতামূলক সাক্ষাৎকারের মধ্য দিয়ে যেতে হতো।

ডিএইচএসের হিসাব অনুযায়ী, এই নীতির ফলে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার আশ্রয়প্রার্থী সরাসরি প্রভাবিত হতে পারেন। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবছরের শেষে তাদের কাছে প্রায় ১৪ লাখ অমীমাংসিত অ্যাসাইলাম আবেদন জমা ছিল। প্রশাসনের লক্ষ্য, এই মামলাগুলোর নিষ্পত্তি দ্রুততর করা।

তবে ডিএইচএস জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী যেখানে সাক্ষাৎকার বাধ্যতামূলক, সেখানে সেই প্রক্রিয়া বহাল থাকবে। একইভাবে আবেদন অনুমোদন বা চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যানের আগে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়াও অনুসরণ করা হবে। তবে বিদ্যমান নথিপত্রের ভিত্তিতে কোনো আবেদনকারী আইনি সুরক্ষার জন্য অযোগ্য বলে মনে হলে কর্মকর্তারা সরাসরি মামলাটি আদালতে পাঠাতে পারবেন।

ইউএসসিআইএসের পরিচালক জোসেফ এডলো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আশ্রয়ব্যবস্থার অপব্যবহার করা হয়েছে। নতুন নীতির মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও দ্রুত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে, মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের আশঙ্কা, প্রাথমিক সাক্ষাৎকারের সুযোগ কমে গেলে প্রকৃত নির্যাতনের শিকার অনেক আশ্রয়প্রার্থী নিজেদের পরিস্থিতি যথাযথভাবে তুলে ধরার সুযোগ হারাতে পারেন। এর ফলে তাদের বহিষ্কারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে তারা মনে করছেন।

সূত্র: নিউজউইক

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ