সিলেটের এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে “আমি কথা বললে শ্বশুরবাড়ির লোকদের শুনতে হবে” মন্তব্য করে হাস্যরসের সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২ মে) সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নে আয়োজিত জনসভায় তিনি এই কথা বলেন। এর আগে একদিনের সরকারি সফরে সিলেট পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বৃষ্টির মধ্যেই তিনি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন এবং সেখান থেকে স্ত্রীকে […]
ছবি: সংগৃহীত
সিলেটের এক জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে “আমি কথা বললে শ্বশুরবাড়ির লোকদের শুনতে হবে” মন্তব্য করে হাস্যরসের সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২ মে) সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নে আয়োজিত জনসভায় তিনি এই কথা বলেন।
এর আগে একদিনের সরকারি সফরে সিলেট পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বৃষ্টির মধ্যেই তিনি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন এবং সেখান থেকে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। পরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে সুধী সমাবেশে যোগ দেন।
বেলা ১২টার দিকে তিনি কান্দিগাঁও ইউনিয়নে বাসিয়া নদী পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এর আগে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা “দুলাভাই” বলে স্লোগান দিতে থাকলে তিনি মজার ছলে বলেন, “দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে তো দুলাভাই চলে যাবে। যাব আমি? কথা বলব না যাব? কথা বলতে হলে চুপ করতে হবে।” এরপরই তিনি যোগ করেন, “আমি কথা বললে শ্বশুরবাড়ির লোকদের শুনতে হবে।”
জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে তাদের জবাবদিহিতা জনগণের কাছেই। মানুষের কল্যাণে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
তিনি জানান, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের সব যোগ্য পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ধর্মীয় নেতাদের ভাতা প্রদান, খাল খনন কার্যক্রম এবং বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।