যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির স্ত্রী ও সিটির ফার্স্ট লেডি রামা দুয়াজি আবারও ইউরোপে যাচ্ছেন ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি ও আধ্যাত্মিক একটি রিট্রিটে অংশ নিতে। ‘দ্য উইমেন স্যাংচুয়ারি’ নামের একটি সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই রিট্রিটে তিনি ‘আর্টিস্ট-ইন-রেসিডেন্স’ হিসেবে অংশ নেবেন। ‘জার্নি থ্রু ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি’ নামের রিট্রিটটি পর্তুগালের পোর্তো অঞ্চলে আগামী ১৬ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর এবং ২৫ […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির স্ত্রী ও সিটির ফার্স্ট লেডি রামা দুয়াজি আবারও ইউরোপে যাচ্ছেন ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি ও আধ্যাত্মিক একটি রিট্রিটে অংশ নিতে। ‘দ্য উইমেন স্যাংচুয়ারি’ নামের একটি সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই রিট্রিটে তিনি ‘আর্টিস্ট-ইন-রেসিডেন্স’ হিসেবে অংশ নেবেন।
‘জার্নি থ্রু ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি’ নামের রিট্রিটটি পর্তুগালের পোর্তো অঞ্চলে আগামী ১৬ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর এবং ২৫ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর—দুটি পৃথক সেশনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, রিট্রিটে ইসলামিক ঐতিহ্য ও পর্তুগালে ইসলামের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা, ইলাস্ট্রেশন ও ক্যালিগ্রাফি কর্মশালা, আধ্যাত্মিক অনুশীলন, প্রকৃতির মধ্যে সময় কাটানো এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আয়োজন থাকবে।
রামা দুয়াজি এ বছর এই সংগঠনের আয়োজনে তৃতীয়বারের মতো কোনো রিট্রিটে অংশ নিচ্ছেন। এর আগে তিনি স্পেনের মায়োর্কা এবং ফ্রান্সের কর্সিকায় আয়োজিত নারী-কেন্দ্রিক আধ্যাত্মিক রিট্রিটে অংশ নিয়েছিলেন।
এবার পর্তুগালে আয়োজিত রিট্রিটের খরচও আলোচনায় এসেছে। নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেয়ারড রুমের জন্য জনপ্রতি খরচ শুরু হচ্ছে প্রায় ৪ হাজার ৩০০ ডলার থেকে। আর ব্যক্তিগত বাথরুমসহ প্রাইভেট রুমের জন্য জনপ্রতি খরচ প্রায় ৫ হাজার ২৬০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।
রামা দুয়াজি পেশায় একজন শিল্পী ও ইলাস্ট্রেটর। তার স্বামী জোহরান মামদানি ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি সিটির ফার্স্ট লেডির দায়িত্বে আসেন।
ফার্স্ট লেডি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ইউরোপে নিয়মিত এসব রিট্রিটে অংশ নেওয়া নিয়ে অবশ্য সমালোচনাও রয়েছে। সমালোচকদের কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, নিউইয়র্ক সিটির ফার্স্ট লেডি হিসেবে তার আরও বেশি জনসেবামূলক কার্যক্রমে যুক্ত থাকা উচিত কি না।
অন্যদিকে, মামদানির দপ্তর আগের রিট্রিটগুলো নিয়ে জানিয়েছিল, এসব সফরে সরকারি অর্থ ব্যবহার করা হয়নি। ফলে রামা দুয়াজির ব্যক্তিগত ও শিল্পীসত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত এসব সফরের ব্যয় সরকারি তহবিল থেকে বহন করা হচ্ছে কি না—এ নিয়ে আগের বিতর্কেরও বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছিল।
নতুন রিট্রিটে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইসলামিক ক্যালিগ্রাফি, শিল্পচর্চা ও আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন রামা দুয়াজি। তবে নিউইয়র্কের ফার্স্ট লেডি হিসেবে তার ভূমিকা ও এসব ব্যক্তিগত সফরের মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে বজায় থাকবে, তা নিয়েও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।