ইরানের সামরিক অবকাঠামো ও শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করার লক্ষ্য নিয়ে দেশটিতে হামলা অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা করেছে ইসরাইল। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, অন্তত আরও এক থেকে দুই সপ্তাহ ইরানে সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে এবং এই সময়ের মধ্যে আরও হাজারো লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর প্রস্তুতি রয়েছে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাত শুরুর পর […]
ছবি: সংগৃহীত
-সংগৃহীত
ইরানের সামরিক অবকাঠামো ও শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করার লক্ষ্য নিয়ে দেশটিতে হামলা অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা করেছে ইসরাইল। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, অন্তত আরও এক থেকে দুই সপ্তাহ ইরানে সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে এবং এই সময়ের মধ্যে আরও হাজারো লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর প্রস্তুতি রয়েছে।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাত শুরুর পর থেকে বুধবার পর্যন্ত ইরানে পাঁচ হাজারেরও বেশি বোমা নিক্ষেপ করেছে ইসরাইলি বিমান বাহিনী। তাদের দাবি, রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশসীমায় এখনো নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছে তারা।
ইসরাইলের একটি বিমানঘাঁটির কমান্ডার সামরিক বাহিনীর প্রকাশিত এক ভিডিওতে জানান, গত দুই দিনের হামলায় বিপুল সংখ্যক ইরানি সেনা নিহত হয়েছে। তিনি জানান, পূর্ব তেহরানের একটি বড় সামরিক কম্পাউন্ডে চালানো বিমান হামলায় তিনিও অংশ নিয়েছিলেন।
হামলার মুহূর্তের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ওই কমান্ডার বলেন, বোমা ফেলার ঠিক আগে আকাশে নিজের চারপাশে অসংখ্য যুদ্ধবিমান দেখতে পান তিনি। সেই সময় শত শত টন নিখুঁত লক্ষ্যভেদী অস্ত্র ব্যবহার করে একযোগে হামলা চালানো হচ্ছিল।
ইসরাইলি বিমান বাহিনী আরও জানিয়েছে, তেহরানে ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সদর দপ্তর ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত একটি বিশাল সামরিক কম্পাউন্ডে বড় ধরনের আক্রমণ চালানো হয়েছে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, তেহরানের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ওই স্থাপনায় শতাধিক যুদ্ধবিমান থেকে ২৫০টিরও বেশি বোমা ফেলা হয়।
এই হামলায় ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি), কুদস ফোর্স, গোয়েন্দা অধিদপ্তর, বাসিজ আধাসামরিক বাহিনী এবং সাইবার ইউনিটের বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরাইল।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব স্থাপনা থেকে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল এবং ইরানের ভেতরে বেসামরিক নাগরিকদের দমনেও এসব ইউনিট সক্রিয় ছিল। তাই ওই স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।