যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত নতুন এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার সিদ্ধান্তকে অধিকাংশ মানুষ ভুল বলে মনে করছেন। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রকাশিত ওই জরিপ অনুযায়ী, ৬১ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ইরানে হামলা চালানো ছিল একটি ভুল সিদ্ধান্ত। বিপরীতে ৩৬ শতাংশ মনে করেন, এটি সঠিক পদক্ষেপ ছিল। জরিপে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত নতুন এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার সিদ্ধান্তকে অধিকাংশ মানুষ ভুল বলে মনে করছেন। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রকাশিত ওই জরিপ অনুযায়ী, ৬১ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ইরানে হামলা চালানো ছিল একটি ভুল সিদ্ধান্ত। বিপরীতে ৩৬ শতাংশ মনে করেন, এটি সঠিক পদক্ষেপ ছিল।
জরিপে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত বেড়েছে। এ যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জীবনযাত্রার ব্যয়েও।
মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন আচরণেও পরিবর্তন এসেছে বলে জরিপে উঠে এসেছে। প্রায় ৪৪ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তারা গাড়ি চালানো কমিয়ে দিয়েছেন। আর ৪২ শতাংশ বলেছেন, তারা দৈনন্দিন খরচ কমিয়ে এনেছেন। কম আয়ের মানুষের মধ্যে এই হার আরও বেশি। বার্ষিক ৫০ হাজার ডলারের কম আয় করা মানুষের মধ্যে ৫৬ শতাংশ গাড়ি কম চালাচ্ছেন এবং ৫৯ শতাংশ খরচ কমাচ্ছেন।
এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও কিছুটা কমেছে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক ভোটার মনে করছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ তার আগের নির্বাচনী অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ট্রাম্প অতীতে অপ্রয়োজনীয় বিদেশি যুদ্ধে না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
জরিপে আরও দেখা যায়, ৪৬ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের পূর্বঘোষিত নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে মেলে না। ফলে ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জনমত ক্রমেই আরও বিভক্ত হয়ে উঠছে।