কম তেলে মুচমুচে খাবার তৈরি করার সুবিধার কারণে এয়ার ফ্রায়ার এখন অনেকের রান্নাঘরের নিয়মিত সঙ্গী। তবে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে—এভাবে রান্না করলে খাবারের পুষ্টিগুণ কি কমে যায়? পুষ্টিবিদদের মতে, সাধারণভাবে এর উত্তর হলো না। বরং অনেক ক্ষেত্রে এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলে খাবারের পুষ্টি উপাদান তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে সংরক্ষিত থাকতে পারে। কেন এয়ার ফ্রায়ারকে স্বাস্থ্যকর বলা হয়? এয়ার […]
ছবি: সংগৃহীত
কম তেলে মুচমুচে খাবার তৈরি করার সুবিধার কারণে এয়ার ফ্রায়ার এখন অনেকের রান্নাঘরের নিয়মিত সঙ্গী। তবে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে—এভাবে রান্না করলে খাবারের পুষ্টিগুণ কি কমে যায়?
পুষ্টিবিদদের মতে, সাধারণভাবে এর উত্তর হলো না। বরং অনেক ক্ষেত্রে এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলে খাবারের পুষ্টি উপাদান তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে সংরক্ষিত থাকতে পারে।
এয়ার ফ্রায়ার মূলত দ্রুতগতির গরম বাতাসের মাধ্যমে খাবার রান্না করে। ফলে ডুবো তেলে ভাজার প্রয়োজন হয় না। অল্প তেলেই খাবারের বাইরের অংশ মুচমুচে এবং ভেতরের অংশ নরম থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কম তেল ব্যবহারের কারণে এভাবে রান্না করা খাবারে ক্যালোরি ও অতিরিক্ত চর্বির পরিমাণ কম থাকে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করা কিছু সবজিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে সংরক্ষিত থাকতে পারে।
গ্যাসের চুলায় রান্না মানেই খাবারের পুষ্টি নষ্ট হয়ে যায়—এমন ধারণা সঠিক নয়। খাবারের পুষ্টিমান মূলত নির্ভর করে রান্নার সময়, তাপমাত্রা এবং ব্যবহৃত পদ্ধতির ওপর।
উদাহরণ হিসেবে—
বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি সহজ পরামর্শ দিয়েছেন—
এয়ার ফ্রায়ারে সাধারণত রান্নার সময় কম হওয়ায় তাপ-সংবেদনশীল কিছু ভিটামিন তুলনামূলক ভালোভাবে টিকে থাকতে পারে। অন্যদিকে গ্যাসের চুলায় কিছু ভিটামিন কমে গেলেও প্রোটিন, খনিজ ও খাদ্যআঁশের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান সাধারণত অক্ষত থাকে।
সব মিলিয়ে বিশেষজ্ঞদের মত হলো, এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলে খাবারের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়—এমন ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং স্বাস্থ্যকর রান্নার মূল বিষয় হলো সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখা, অতিরিক্ত তেল ব্যবহার না করা এবং প্রয়োজনের বেশি সময় রান্না না করা।