ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। রোববার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জেনেভায় অবস্থিত বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন গত ৬ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের […]
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার।
রোববার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জেনেভায় অবস্থিত বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন গত ৬ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর)-এর কাছে একটি নোট ভারবাল পাঠিয়েছে।
নোট ভারবালে ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের জন্য জাতিসংঘের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নোট ভারবাল হলো কূটনৈতিক যোগাযোগে ব্যবহৃত একটি আনুষ্ঠানিক লিখিত নথি, যা সাধারণত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কূটনৈতিক মিশনগুলোর মধ্যে আদান-প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অবস্থান ও অনুরোধ উপস্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়।
ঘটনার বিবরণে জানানো হয়, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
জেনেভায় বাংলাদেশ মিশনের পাঠানো বার্তায় আরও জানানো হয়েছে, ওএইচসিএইচআর থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া মাত্রই তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে।
অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ় অবস্থান জানিয়ে বলেছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুসরণ করে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে।