গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে আটক হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে লিথুয়ানিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে মার্কিন সেনা ভেটেরান মার্ক গুল্ডের স্ত্রী অ্যারাইডা গুল্ডকে। টানা ৬৬ দিন অভিবাসন হেফাজতে রাখার পর ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) তাকে শিকাগোর ও’হেয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিজ দেশে ফেরত পাঠায়। পরিবারের দাবি, গ্রিন কার্ড আবেদনের সাক্ষাৎকারে […]
ছবি: সংগৃহীত
গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে আটক হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে লিথুয়ানিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে মার্কিন সেনা ভেটেরান মার্ক গুল্ডের স্ত্রী অ্যারাইডা গুল্ডকে। টানা ৬৬ দিন অভিবাসন হেফাজতে রাখার পর ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) তাকে শিকাগোর ও’হেয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিজ দেশে ফেরত পাঠায়।
পরিবারের দাবি, গ্রিন কার্ড আবেদনের সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা (ইউএসসিআইএস) তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বৈধ বলে অনুমোদন দেওয়ার পরও একই ভবন থেকে অ্যারাইডাকে হাতকড়া পরিয়ে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে আইসিই জানায়, ২০০৯ সালে জারি হওয়া একটি পুরোনো বহিষ্কার (রিমুভাল) আদেশের ভিত্তিতেই তাকে আটক করা হয়েছে। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় আদালতের শুনানিতে যানজটের কারণে দেরিতে পৌঁছানোর ফলে তার বিরুদ্ধে অনুপস্থিতিতেই ওই আদেশ দেওয়া হয়েছিল।
লিথুয়ানিয়ার নাগরিক অ্যারাইডা গুল্ড ২০০০ সালে বৈধ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। এরপর দীর্ঘদিন ধরে তিনি লাইসেন্সপ্রাপ্ত ম্যাসাজ থেরাপিস্ট হিসেবে কাজ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকালে তিন সন্তানকে বড় করেন। মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য মার্ক গুল্ডের সঙ্গে তার এক দশকেরও বেশি সময়ের দাম্পত্য জীবন রয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, আটক হওয়ার পর অ্যারাইডাকে ইলিনয় থেকে কেনটাকি এবং পরে আরও কয়েকটি অভিবাসন আটক কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। এ সময় স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগও সীমিত ছিল। তিনি আটক কেন্দ্রের পরিবেশ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানিয়েছে, অ্যারাইডার ভিসার মেয়াদ ২০০৯ সালেই শেষ হয়েছিল এবং তিনি বহিষ্কারের আদেশের আওতায় ছিলেন। সংস্থাটির বক্তব্য, কোনো বিদেশি নাগরিকের বৈবাহিক আবেদন অনুমোদিত হলেও তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বহিষ্কারের আদেশ বাতিল করে না।
এদিকে, অ্যারাইডার আইনজীবীরা মামলাটি পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি আবেদন করেছেন। তাদের দাবি, তার বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি এবং বিষয়টি পুনরায় পর্যালোচনা করা উচিত।