সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

রাজনীতি
২:০৯ পিএম, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চাঁদাবাজির চেয়ে ভোট ভিক্ষা চাওয়া বেশি সম্মানের: হাসনাত আবদুল্লাহ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, চাঁদাবাজির রাজনীতি নয়—মানুষের কাছে ভোট চাওয়াই সম্মানের। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পেশাদারিত্ব ও বিবেকের তাড়নায় নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নে ১১ দলীয় জোটের আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত […]

চাঁদাবাজির চেয়ে ভোট ভিক্ষা চাওয়া বেশি সম্মানের: হাসনাত আবদুল্লাহ
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, চাঁদাবাজির রাজনীতি নয়—মানুষের কাছে ভোট চাওয়াই সম্মানের। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পেশাদারিত্ব ও বিবেকের তাড়নায় নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নে ১১ দলীয় জোটের আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই—এই নির্বাচনে ওসিদের কেনা যাবে না, এসপিদের জন্য আলাদা খাম লাগবে না, এসআইদের জন্যও টাকা রাখতে হবে না। পেশার মর্যাদা ও পোশাকের সম্মানে যদি নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে জীবন দিতে হয়, তাহলে প্রয়োজনে তারা জীবন দেবে।”

ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “আজ যতজন মানুষের কাছে গেছেন, আগামীকাল তার চেয়ে আরও ১০ জনের কাছে যেতে হবে। প্রতিদিন আগের দিনের চেয়ে অন্তত এক ঘণ্টা বেশি কাজ করতে হবে। আরাম ও ঘুম কমিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইতে হবে। আমরা মনে করি—চাঁদাবাজির চেয়ে ভোট ভিক্ষা চাওয়া বেশি সম্মানের।”

তিনি আরও দাবি করেন, বিরোধী দলের অনেক কর্মীও এনসিপিকে ভোট দিতে আগ্রহী। তাদের বক্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন, “ওরা জানে চাঁদাবাজি করে যে অর্থ সংগ্রহ করা হয়, তার একটি অংশ নেতাদের দিতে হয়। তাদের ওপর মাসিক টার্গেট থাকে। অনেকেই সেই চাপ নিতে না পেরে আমাদের কাছে এসে বলছে—আর পারছি না। দল করি বলেই থাকতে হয়। এমন মানুষদের কাছেও আমাদের আহ্বান পৌঁছে দিতে হবে।”

নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমাদের কোনো গুন্ডা বাহিনী নেই, সন্ত্রাসী বাহিনী নেই, বর্ডার বাহিনী নেই। বাংলাদেশ এখন স্পষ্টভাবে দুই ভাগে বিভক্ত—একটি পক্ষ চাঁদাবাজি ও আধিপত্যে বিশ্বাস করে, আরেকটি পক্ষ স্বাধীনতা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় ঐক্যবদ্ধ।”

তিনি বলেন, “একটি পক্ষ স্বৈরতন্ত্র থেকে দেশকে মুক্ত করতে চায়, আরেকটি পক্ষ স্বৈরতন্ত্র হয়ে উঠতে চায়। শেষ সিদ্ধান্ত কিন্তু প্রার্থীর হাতে নয়—ভোট আছে জনগণের হাতে, ভোটারের হাতে।”

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ