জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং দীর্ঘদিন কারাবরণ করা নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা উচিত। তিনি বিশেষভাবে বিএনপির নেতা লুতফুজ্জামান বাবরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, এমন নেতাদের অবমূল্যায়ন করা ভবিষ্যতের রাজনীতির জন্য শুভ হবে না। শুক্রবার নেত্রকোনা পৌরসভায় গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, সীমান্ত […]
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং দীর্ঘদিন কারাবরণ করা নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা উচিত। তিনি বিশেষভাবে বিএনপির নেতা লুতফুজ্জামান বাবরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, এমন নেতাদের অবমূল্যায়ন করা ভবিষ্যতের রাজনীতির জন্য শুভ হবে না।
শুক্রবার নেত্রকোনা পৌরসভায় গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, সীমান্ত সুরক্ষাসহ পাঁচ দফা দাবিতে আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ শেষে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে সারজিস আলম বলেন, নেত্রকোনা এমন একজন নেতার জেলা, যিনি দীর্ঘ সময় কারাবন্দি ছিলেন এবং একসময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি লুতফুজ্জামান বাবর বলেছেন, “জুলাই ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী আমি। আল্লাহ আমাকে মৃত্যুদণ্ড থেকে বাঁচিয়েছেন।”
সারজিস বলেন, নিজের অবস্থান ও বাস্তবতা স্বীকার করার মতো মানসিকতা বাবরের রয়েছে। এজন্য তিনি তাকে ধন্যবাদ জানান।
এরপর বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেও নিজেদের অবস্থানে অটল ছিলেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
তিনি দাবি করেন, এমন কিছু নেতা রয়েছেন যাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও অবদান আরও বড় দায়িত্ব পাওয়ার মতো হলেও তাদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না।
সারজিস আলমের ভাষায়, ভবিষ্যতের বাংলাদেশের রাজনৈতিক লড়াই হবে আধিপত্যবাদ, জুলুম, অন্যায় ও মিথ্যার বিরুদ্ধে। সেই লড়াইয়ে যারা আগে থেকেই পরীক্ষিত এবং কঠিন সময় পার করেছেন, তাদের গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে যাদের রাজনৈতিকভাবে পাশে সরিয়ে রাখা হচ্ছে, ভবিষ্যতে তাদের প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি অনুভূত হতে পারে।
পথসভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থ, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।