ফার্মগেট এলাকায় চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সাম্প্রতিক নৃশংস হামলায় আহতদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বুধবার একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশটি পরিণত হয় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী প্রতিবাদ মঞ্চে। বক্তারা বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর কারণেই সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক […]
ছবি: সংগৃহীত
ফার্মগেট এলাকায় চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সাম্প্রতিক নৃশংস হামলায় আহতদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বুধবার একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশটি পরিণত হয় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী প্রতিবাদ মঞ্চে।
বক্তারা বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর কারণেই সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর যে বর্বর হামলা চালানো হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সমাজে ভয় ও নৈরাজ্য তৈরির অপচেষ্টা হিসেবে আখ্যা দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আহত ব্যক্তিরা নিজেদের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে জানান, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে গুরুতরভাবে আহত করা হয়। তাদের বক্তব্যে উপস্থিত জনতার মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।
এই কর্মসূচিতে ১১ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর নেতারাও সংহতি জানিয়ে অংশ নেন। তারা একযোগে ঘোষণা দেন, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর পক্ষ থেকে ঢাকা মহানগর উত্তরের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুর আমিন খান, তেজগাঁও থানা এনসিপির নেতৃবৃন্দ, শিল্পাঞ্চল থানার প্রধান সমন্বয়কারী মো. হারুন এবং শেরেবাংলা নগর থানার প্রধান সমন্বয়কারী হামিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এনসিপি নেতারা বলেন, জনগণের অধিকার রক্ষায় দলটি আপসহীন অবস্থানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও অন্যায়, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা অব্যাহত থাকবে। তারা আহতদের দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচির ইঙ্গিত দেন।