সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

প্রধান খবর
৫:২৭ এএম, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি

আজ বিকাল ৪টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যদের এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হলো জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে তৈরি করা সুপারিশের খসড়ার চূড়ান্ত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন সংযোজন করা। কমিশনের অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে জানা গেছে, বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা […]

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

আজ বিকাল ৪টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যদের এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হলো জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে তৈরি করা সুপারিশের খসড়ার চূড়ান্ত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন সংযোজন করা।

কমিশনের অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে জানা গেছে, বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ও কমিশন সভাপতির মতামতের ভিত্তিতে সুপারিশের খসড়ায় পরিবর্তন আনা হতে পারে। যদি নতুন কোনো সংশোধনী প্রয়োজন হয়, তবে তা অন্তর্ভুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ প্রস্তুতকরণ ও সরকারের কাছে জমা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, কোনো সংশোধনী না থাকলে আজই ওই খসড়া সরাসরি সরকারের কাছে প্রদান করা হবে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য কমিশন যে রূপরেখা প্রণয়ন করেছে, তার ভিত্তিতে প্রথমেই একটি প্রজ্ঞাপন বা আদেশ জারি করা হবে, যার নাম হবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’। এই আদেশের অধীনে একটি গণভোট-বিষয়ক অধ্যাদেশ জারি হবে, যা গণভোটের আয়োজনের আইনগত কাঠামো নির্ধারণ করবে। এরপর নির্দিষ্ট সময় (প্রায় ২৭০ দিন বা ৯ মাস) পর্যন্ত সংসদ একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের ভূমিকায় কাজ করবে, যার মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা ও অনুমোদিত হবে।

এই পুরো প্রক্রিয়া এবং এর বাস্তবায়নের সময়সূচি ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। আদেশ জারির পর তার কিছু ধারা তাৎক্ষণিক কার্যকর হবে, আবার কিছু ধারা পর্যায়ক্রমে প্রয়োগ করা হবে, যা সময় মতো নির্ধারিত হবে।

জুলাই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব আদেশের পরিশিষ্টে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে এখানে কোনো রাজনৈতিক দলের ভিন্নমতের বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে না; শুধুমাত্র কমিশনের গৃহীত ৮৪টি প্রস্তাব বা সিদ্ধান্তই উল্লেখ থাকবে।

এই বৈঠক ও প্রস্তাবিত পদক্ষেপ দেশের সংবিধান সংস্কারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী হবে এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে। সাধারণ মানুষের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে দেশের শাসনব্যবস্থা আরও উদার, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ