ফিলিস্তিনের অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত পবিত্র আল-আকসা মসজিদের ইমাম ও জেরুজালেমের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ মোহাম্মদ হুসেনকে আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। জুমার নামাজ আদায়ের পর মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকেই তাকে আটক করা হয়। শুক্রবার (১০ জুলাই) ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াফা এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেখ মোহাম্মদ হুসেন জুমার খুতবা প্রদান ও নামাজে ইমামতি করার পরপরই […]
ছবি: সংগৃহীত
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত পবিত্র আল-আকসা মসজিদের ইমাম ও জেরুজালেমের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ মোহাম্মদ হুসেনকে আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। জুমার নামাজ আদায়ের পর মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকেই তাকে আটক করা হয়।
শুক্রবার (১০ জুলাই) ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াফা এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেখ মোহাম্মদ হুসেন জুমার খুতবা প্রদান ও নামাজে ইমামতি করার পরপরই ইসরায়েলি বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করেন।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, আটকের পর তাকে কোথায় নেওয়া হয়েছে বা কী অভিযোগে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, এই ঘটনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) শুক্রবার এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ইরানে হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তারা কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, কুয়েতে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, কাতারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পূর্ব সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং বাহরাইনে মার্কিন বাহিনীর একটি জ্বালানি ডিপো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
অন্যদিকে, কুয়েত সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে দেশটিকে লক্ষ্য করে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১০টি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তাদের দাবি, সবগুলোই লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই প্রতিহত করা হয়েছে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে একজন নিহত হয়েছেন।
জর্ডানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, পূর্বাঞ্চলীয় আজরাক এলাকায় অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ইরান ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল। এর মধ্যে আটটি আকাশেই ভূপাতিত করা হয়। বাকি দুটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা না গেলেও মার্কিন ঘাঁটিতে কোনো প্রাণহানি বা উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে জর্ডান।
সূত্র: ওয়াফা নিউজ এজেন্সি