ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে প্রাথমিক প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে এনসিপির প্রাথমিক মেয়র প্রার্থী হিসেবে বাছাই করা হয়েছে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীবকে। সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ১১ দলীয় জোটের […]
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে প্রাথমিক প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলের একাধিক দায়িত্বশীল নেতা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে এনসিপির প্রাথমিক মেয়র প্রার্থী হিসেবে বাছাই করা হয়েছে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীবকে। সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। যদিও তিনি বিএনপির প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন, তবে উল্লেখযোগ্য ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট অর্জন করেন। দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি নগর উন্নয়ন ও পরিবেশবিষয়ক বিভিন্ন সভা-সেমিনারে নিয়মিত অংশগ্রহণ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাকে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে প্রাথমিক মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির সংগঠক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি অভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেন। নির্বাচনী সময়ে তিনি এনসিপির মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকার জন্য আলোচিত হন।
এনসিপির এক কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, রমজানের পর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে—এই সম্ভাবনা মাথায় রেখে দলটি আগেভাগেই প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আগের মতো এবারও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এনসিপির। সেই লক্ষ্যে মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি কাউন্সিলর প্রার্থীদের তালিকাও প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে জোটসঙ্গীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে দলটি।
দলীয় নেতারা মনে করছেন, সময়মতো প্রার্থী চূড়ান্ত করলে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করা সম্ভব হবে এবং মাঠপর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা যাবে।