Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আইন ও বিচার
২:৫২ পিএম, ৯ জুন ২০২৬

তালাক ছাড়াই বিয়ে: নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে রায় বুধবার

তালাক সম্পন্ন না করেই দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় আগামী বুধবার ঘোষণা করা হবে। ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জশিতা ইসলামের আদালত এ মামলার রায় দেবেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসির হোসেন দণ্ডবিধির দুটি […]

তালাক ছাড়াই বিয়ে: নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে রায় বুধবার

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

তালাক সম্পন্ন না করেই দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় আগামী বুধবার ঘোষণা করা হবে। ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জশিতা ইসলামের আদালত এ মামলার রায় দেবেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসির হোসেন দণ্ডবিধির দুটি ধারায় সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন। একই মামলায় তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে আনা তিনটি ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

গত ৬ মে মামলার উভয় পক্ষ আদালতে চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে। বাদীপক্ষের দাবি, সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত। অন্যদিকে আসামিপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে খালাস প্রার্থনা করে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাকিব হাসানের সঙ্গে তামিমা সুলতানার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, প্রথম স্বামীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকা অবস্থায় ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাসির ও তামিমার বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি সামনে আসে। এরপর একই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাকিব হাসান আদালতে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

পরবর্তীতে ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালত নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে করা রিভিশন আবেদনও পরবর্তীতে খারিজ হয়ে যায়, ফলে মামলার বিচারিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।

২০২৩ সালের মার্চে বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচার শুরু হয় এবং ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। চলতি বছরের মার্চে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

এখন বহুল আলোচিত এই মামলার রায়ের দিকে তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্টরা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ