যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার সম্ভাবনা নিয়ে আবারও মন্তব্য করেছেন। আইওয়া অঙ্গরাজ্যের এক সমাবেশে তিনি দাবি করেন, ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছিল। এ কারণে আবারও প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হওয়ার অধিকার তাঁর রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আইওয়ার সিউক্স সিটিতে আয়োজিত সমাবেশে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার সম্ভাবনা নিয়ে আবারও মন্তব্য করেছেন। আইওয়া অঙ্গরাজ্যের এক সমাবেশে তিনি দাবি করেন, ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছিল। এ কারণে আবারও প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হওয়ার অধিকার তাঁর রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আইওয়ার সিউক্স সিটিতে আয়োজিত সমাবেশে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রেসিডেন্টের মেয়াদসংক্রান্ত সাংবিধানিক বিধিনিষেধ নিয়ে রসিকতা করেন ট্রাম্প। এ সময় তিনি ২০২০ সালের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগও পুনরায় তুলে ধরেন। তবে ওই নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
দ্য গার্ডিয়ানের বরাতে জানা যায়, ট্রাম্প বলেন, ‘আপনাদের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন, আমি জানি না। আমার মনে হয়, আইন বলছে আমাকে আর প্রার্থী হতে দেওয়া হবে না। আমি শতভাগ নিশ্চিত নই, তবে আমার ধারণা, আইন এমনটাই বলছে।’
এরপর তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাংবিধানিক বাধার প্রসঙ্গ তুলে তিনি ২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে নিজের অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করেন।
হাসতে হাসতে ট্রাম্প বলেন, ‘একটি বিষয় অবশ্য আলাদা। দ্বিতীয়বারে তারা আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, কারণ আমরা তিনবার জিতেছি। তাই আমার মনে হয়, আবার প্রার্থী হওয়ার অধিকার আমার আছে।’
তাঁর এ বক্তব্যের পর সমাবেশে উপস্থিত সমর্থকেরা করতালি দেন।
এর আগেও বর্তমান মেয়াদ শেষে হোয়াইট হাউসে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে একাধিকবার মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন এসব বক্তব্যকে রসিকতা হিসেবে ব্যাখ্যা করলেও তিনি বারবার তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রসঙ্গ তুলেছেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২২তম সংশোধনী অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারেন না। ফলে ট্রাম্পের তৃতীয়বার নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক বাধা রয়েছে। ২০২০ সালের নির্বাচনে প্রতারণার অভিযোগও তাঁকে এই বিধিনিষেধের বাইরে যাওয়ার কোনো স্বীকৃত সাংবিধানিক অধিকার দেয় না।
সূত্র: ফাস্টপোস্ট, দ্য গার্ডিয়ান