সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আইন ও বিচার
১:৫৪ পিএম, ৭ মে ২০২৬

দুর্নীতির মামলায় তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু

দুই যুগ আগে দায়ের হওয়া সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় সাবেক বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২২ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।মামলার অন্য দুই আসামি হলেন মোহাম্মদ […]

দুর্নীতির মামলায় তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

দুই যুগ আগে দায়ের হওয়া সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় সাবেক বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২২ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।
মামলার অন্য দুই আসামি হলেন মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম ও মোশাররফ হোসেন। এর মধ্যে মোশাররফ হোসেন জামিনে থেকে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে তোফায়েল আহমেদ ও আনোয়ারুল ইসলাম পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বহাল রাখা হয়েছে।
দুদকের কৌঁসুলি ইশতিয়াক আহমেদ জানান, দুদকের পক্ষ থেকে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি করা হয়। জামিনে থাকা আসামি মোশাররফ হোসেনের আইনজীবী তার অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। তবে পলাতক দুই আসামির পক্ষে কোনো শুনানি হয়নি। পরে আদালত তিনজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।
এদিন তোফায়েল আহমেদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার বিষয়ে তার আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদারের করা আবেদনও নথিভুক্ত করেন আদালত।

আবেদনে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং বর্তমানে স্মৃতিশক্তি হারানোর কারণে আদালতের কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। তার আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কাউকে চিনতে পারেন না এবং শারীরিকভাবেও আদালতে হাজির হওয়ার সক্ষমতা হারিয়েছেন।
আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছিল। পরে দুদকের কৌঁসুলি ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, আদালত আইনজীবীকে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে বলেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে মামলাটি অনেক পুরোনো, তাই বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন। ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে ওই অর্থ স্থানান্তর করা হয়।
২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলে মামলার বিচার আবার শুরু হয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ