Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

তথ্যপ্রযুক্তি
৮:৪৮ এএম, ১ জুলাই ২০২৫

দেশে প্রথম মিলিটারি ড্রোন উদ্ভাবনে সাফল্য খুদে বিজ্ঞানীদের

দেশের ইতিহাসে বেসরকারি পর্যায়ে তৈরি হলো প্রথম সামরিক ব্যবহারের উপযোগী ড্রোন। উদ্ভাবন করেছে নরসিংদী সায়েন্স অ্যান্ড রোবোটিক্স ল্যাব, যারা নিজেদের ল্যাবেই ডিজাইন ও ডেভেলপ করেছে এই ‘মিলিটারি পারপাস মিসাইল সিস্টেম ড্রোন। ’১৯ থেকে ২১ জুন রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ৪৬তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা ২৫-এ ড্রোনটি প্রদর্শনের পর থেকেই এটি […]

দেশে প্রথম মিলিটারি ড্রোন উদ্ভাবনে সাফল্য খুদে বিজ্ঞানীদের
ডেস্ক রিপোর্ট
২ মিনিটে পড়ুন |

দেশের ইতিহাসে বেসরকারি পর্যায়ে তৈরি হলো প্রথম সামরিক ব্যবহারের উপযোগী ড্রোন। উদ্ভাবন করেছে নরসিংদী সায়েন্স অ্যান্ড রোবোটিক্স ল্যাব, যারা নিজেদের ল্যাবেই ডিজাইন ও ডেভেলপ করেছে এই ‘মিলিটারি পারপাস মিসাইল সিস্টেম ড্রোন।

’১৯ থেকে ২১ জুন রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ৪৬তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা ২৫-এ ড্রোনটি প্রদর্শনের পর থেকেই এটি দর্শনার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে।

ড্রোনটির বিশেষত্ব-এটি একটানা আকাশে উড়তে পারে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা, এর বহনক্ষমতা ৬ কেজি এবং রেঞ্জ ৪০ কিলোমিটার। রয়েছে থার্মাল ক্যামেরা, যা রাতেও নজরদারির জন্য উপযোগী।

উদ্ভাবক দল বলছে, এটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৯ থেকে ১০ লাখ টাকা, অথচ আন্তর্জাতিক বাজারে অনুরূপ ড্রোন কিনতে খরচ হতো প্রায় ১ মিলিয়ন ডলার। এই তুলনাটাই প্রমাণ করে, সুযোগ পেলে দেশের খুদে বিজ্ঞানীরাই তৈরি করতে পারে আধুনিক প্রযুক্তির যুগোপযোগী সমাধান। ড্রোনটির উন্নয়ন ও সম্ভাবনাময়তা দেখে মেলায় উপস্থিত দর্শনার্থীরা যেমন বিস্মিত, তেমনি অনেক গবেষক-নীতিনির্ধারকও এই উদ্ভাবনের প্রশংসা করেছেন।

‘জ্ঞান-বিজ্ঞানে করব জয়, সেরা হব বিশ্বময়’-এই স্লোগানে আয়োজিত তিন দিনের এই মেলায় অংশ নিয়েছে দেশের ৬৪ জেলার প্রায় ৭০০ জন প্রতিযোগী। প্রদর্শনীতে ড্রোন ও রোবটিক্স নিয়ে কাজ করা উদ্ভাবকদের পদচারণায় প্রমাণ মিলেছে, বাংলাদেশে প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ শুধু সম্ভবই নয়, অনিবার্য।

মেলার উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘সবাইকে বিজ্ঞানী হতে হবে না, কিন্তু বিজ্ঞানমনস্ক হওয়াটা জরুরি।’ দেশের বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বিজ্ঞান গবেষণায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান উপদেষ্টা।

আয়োজক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই আয়োজন আরেকবার প্রমাণ করল-বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর। আর সেই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছে আজকের খুদে উদ্ভাবকরাই।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ