একসময় সাম্বা ছন্দ আর নান্দনিক ফুটবলে বিশ্ব মাতানো ব্রাজিল এখন নিজেদের হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটি সাম্প্রতিক সময়ে প্রত্যাশিত সাফল্য পাচ্ছে না। সেই পরিস্থিতি থেকে সেলেসাওদের ঘুরে দাঁড় করানোর দায়িত্ব নিয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি। ২০২৮ কোপা আমেরিকা ও ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন প্রজন্মের একটি শক্তিশালী দল গড়ে তুলতে চান ব্রাজিলের এই ইতালিয়ান […]
ছবি: সংগৃহীত
-সংগৃহীত
একসময় সাম্বা ছন্দ আর নান্দনিক ফুটবলে বিশ্ব মাতানো ব্রাজিল এখন নিজেদের হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাওয়ার লড়াইয়ে। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটি সাম্প্রতিক সময়ে প্রত্যাশিত সাফল্য পাচ্ছে না। সেই পরিস্থিতি থেকে সেলেসাওদের ঘুরে দাঁড় করানোর দায়িত্ব নিয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি।
২০২৮ কোপা আমেরিকা ও ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন প্রজন্মের একটি শক্তিশালী দল গড়ে তুলতে চান ব্রাজিলের এই ইতালিয়ান কোচ। তরুণ ফুটবলারদের বেশি সুযোগ দিয়ে ধাপে ধাপে দল বদলের পরিকল্পনা করছেন তিনি।
ফিফার সেপ্টেম্বর-অক্টোবর আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে অস্ট্রেলিয়া সফরে রয়েছে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে ১-১ ব্যবধানে ড্র করেছে তারা। মঙ্গলবার সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে আবারও অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে সেলেসাওরা।
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে আনচেলত্তি জানান, তার প্রধান লক্ষ্য এখন ভবিষ্যতের জন্য দল তৈরি করা। তিনি বলেন, দলে থাকা ২৬ জনই হয়তো এই মুহূর্তে সেরা খেলোয়াড় নন, তবে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখনই শুরু করা প্রয়োজন।
জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার ক্ষেত্রেও পুরোনো মানদণ্ড কিছুটা বদলানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন আনচেলত্তি। তার মতে, কোনো খেলোয়াড় ক্লাবে নিয়মিত না খেললেও ভবিষ্যতে জাতীয় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে তাকে দলে নেওয়া হতে পারে।
আনচেলত্তির পরিকল্পনায় সাম্প্রতিক বিশ্বকাপগুলোতে প্রতিনিধিত্ব করা পুরোনো প্রজন্মের পাশাপাশি নতুন মুখদের জায়গা করে দেওয়াই বড় বিষয়। বিশেষ করে ১৭, ১৮ ও ১৯ বছর বয়সী ফুটবলারদের ওপর বিনিয়োগ করতে চান তিনি।
আনচেলত্তির ভাষায়, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলা প্রজন্মের একটি অধ্যায় শেষের দিকে। তবে পরবর্তী বিশ্বকাপের সময়ও যারা উপযুক্ত বয়সে থাকবে, তাদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে মিলিয়ে একটি নতুন ব্রাজিল গড়ে তুলতে চান তিনি।