সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

প্রধান খবর
২:২১ পিএম, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অনুপ্রেরণা অপরিহার্য। তারা যেন জানে এই দেশ কোথা থেকে এলো এবং কীভাবে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান উপদেষ্টা […]

নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রয়োজন : প্রধান উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অনুপ্রেরণা অপরিহার্য। তারা যেন জানে এই দেশ কোথা থেকে এলো এবং কীভাবে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন,
“আমরা কেউ চিরস্থায়ী নই। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান থাকতে হবে। সামনে আরও অনেক চ্যালেঞ্জ ও সংগ্রাম আসবে। সেই লড়াইয়ের প্রেরণা হতে হবে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ।”

তিনি বলেন, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষা এবং ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শনাক্ত করতে সরকার কাজ করছে। অতীতে মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

“মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা একটি পবিত্র দায়িত্ব। ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এখন থেকেই সুপরিকল্পিত উদ্যোগ নিতে হবে,”—বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন,
“বিগত সরকারের রাজনৈতিক অপব্যবহারে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা বঞ্চিত হয়েছেন। আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের হারানো মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি।”

বীর মুক্তিযোদ্ধারা সরকারের সংস্কার কার্যক্রম ও গণভোট আয়োজনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান জানান।

তারা বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে ফ্যাসিবাদ পুনরায় ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকবে না এবং জনগণের কাছে সরকার আরও দায়বদ্ধ হবে।

বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধারা আরও জানান, বিগত ১৬ বছরে মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা এমনভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে যে অনেক সময় নিজেদের পরিচয় দিতেও সংকোচ বোধ করতেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন,
“এই সংগঠনগুলোর সম্পদ ও শক্তিকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং জাতীয় কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। সরকার ছাড়ার পরও একজন নাগরিক হিসেবে আমি এই দায়িত্ব পালন করে যাব।”

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ