যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে আবারও নতুন করে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে দেশটির অভিবাসন ও কাস্টমস প্রয়োগকারী সংস্থা (আইস)। সোমবার সকাল থেকে নিউইয়র্কের কুইন্স এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান এখন লং আইল্যান্ডেও সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিবেদনে জানা গেছে, যেসব অভিবাসীকে আগে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তরের জন্য ‘ডিটেইনার’ বা অনুরোধ জানিয়েছিল আইস, অথচ […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে আবারও নতুন করে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে দেশটির অভিবাসন ও কাস্টমস প্রয়োগকারী সংস্থা (আইস)। সোমবার সকাল থেকে নিউইয়র্কের কুইন্স এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান এখন লং আইল্যান্ডেও সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া চলছে।
প্রতিবেদনে জানা গেছে, যেসব অভিবাসীকে আগে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তরের জন্য ‘ডিটেইনার’ বা অনুরোধ জানিয়েছিল আইস, অথচ শেষ পর্যন্ত হস্তান্তর করা হয়নি—মূলত তাদের লক্ষ্য করেই এই নতুন চিরুনি অভিযান শুরু করা হয়েছে। মূলত কোনো অভিযুক্ত বা অবৈধ অভিবাসী স্থানীয় পুলিশ হেফাজতে থাকলে তাকে যেন সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে না দিয়ে কিছুটা সময় বেশি আটকে রাখা হয়, যাতে আইস এসে তাদের হেফাজতে নিতে পারে—সেই লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে এ ধরনের আইনি অনুরোধ পাঠায় সংস্থাটি।
এদিকে নিউইয়র্কে আইসের এই আকস্মিক অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সিটির অভিবাসীদের মাঝে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি শুরু থেকেই আইসের এমন অভিযানের কড়া সমালোচনা করে আসছেন। চলতি মাসের শুরুতে হিউস্টনে আইসের অভিযানে এক মেক্সিকান অভিবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় আইস বিলুপ্তিরও কড়া দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। সে সময় মেয়র স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “নিউইয়র্ক সিটির ভয় ও উদ্বেগের মধ্যে থাকা প্রতিটি অভিবাসী পরিবারের পাশে আমরা রয়েছি। প্রতিটি প্রাণহানির ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত ও পূর্ণাঙ্গ জবাবদিহি নিশ্চিতের পাশাপাশি আইসকে অনতিবিলম্বে বিলুপ্ত করা উচিত।”
অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের কঠোর অভিবাসন নীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চরম বিতর্ক ও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি টেক্সাস ও মেইন অঙ্গরাজ্যে আইস কর্মকর্তাদের সন্দেহজনক গুলিতে প্রাণহানির ঘটনা এই বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে।
আইস কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও গুলিবর্ষণের বিষয়ে হোয়াইট হাউসের সীমান্তবিষয়ক কর্মকর্তা টম হোমান জানান, ঘটনাগুলোর তদন্ত চলাকালীন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে বলতে না পারলেও নিয়ম অনুযায়ী তদন্তধীন কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ছুটিতেই রাখার কথা।
তথ্যসূত্র: নিউজনেশন / দ্য হিল / সিএনএন