ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন খাতে বিদ্যমান অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্রও একইভাবে পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম […]
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন খাতে বিদ্যমান অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্রও একইভাবে পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের বাস্তব চিত্র জানতে প্রধানমন্ত্রী কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় মাঠপর্যায়ে অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বে অবহেলার বিষয়গুলো সামনে আসে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সারজিস আলম মনে করেন, প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শীর্ষ পর্যায়ের এমন আকস্মিক পরিদর্শন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দায়ী, তাদের সবাইকে শাস্তির আওতায় আনা না হলেও প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার।
তিনি তার পোস্টে লেখেন, “প্রকৃতপক্ষে যে সামষ্টিক সিস্টেম এটার জন্য দায়ী তারা সবাই শাস্তি না পেলেও এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এজন্য জনাব তারেক রহমানকে ধন্যবাদ।”
তবে শুধু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার দিকেও নজর দেওয়ার আহ্বান জানান এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, সমাজে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সিন্ডিকেট, মাদক ব্যবসা এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো নানা সমস্যা বিদ্যমান রয়েছে।
এসব বিষয়ে বাস্তব পরিস্থিতি জানতে প্রধানমন্ত্রীকে সাধারণ মানুষের মতো ছদ্মবেশে মাঠে নেমে অভিজ্ঞতা অর্জনের আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, এতে প্রকৃত সমস্যাগুলো আরও স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে এবং কার্যকর সমাধান গ্রহণের পথ সহজ হবে।
সারজিস আলম বলেন, দেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে এমন সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া গেলে সাধারণ মানুষ প্রকৃত সুফল পাবে। পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থাও আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা যাচাইয়ের এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং বিভিন্ন খাতে সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।