সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

রাজনীতি
৪:৪২ অপরাহ্ন, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

‘ফলাফল টেম্পারিংয়ের’ অভিযোগ: ঢাকা-৮ আসনে বাতিল ভোট পুনঃগণনার দাবি এনসিপির

ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনে বেসরকারিভাবে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হলেও, ফলাফল কারচুপির অভিযোগ তুলে বাতিল হওয়া সব ভোট পুনরায় গণনার দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টায় রাজধানীর বাংলামটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। […]

‘ফলাফল টেম্পারিংয়ের’ অভিযোগ: ঢাকা-৮ আসনে বাতিল ভোট পুনঃগণনার দাবি এনসিপির

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনে বেসরকারিভাবে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হলেও, ফলাফল কারচুপির অভিযোগ তুলে বাতিল হওয়া সব ভোট পুনরায় গণনার দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টায় রাজধানীর বাংলামটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, ঢাকা-৮ আসনসহ আরও কয়েকটি আসনে ভোট গণনার সময় ‘ফলাফল টেম্পারিংয়ের’ চেষ্টা করা হয়েছে। তার দাবি, বিভিন্ন কেন্দ্রের ফলাফলের সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত ফলাফলের মিল নেই, যা কাকতালীয় নয় বরং পরিকল্পিত।

আসিফ মাহমুদ বলেন, “ঢাকা-৮ আসনে বাতিল ভোটগুলো গণনায় অন্তর্ভুক্ত করে মির্জা আব্বাসকে বিজয়ী ঘোষণার একটি ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে চাপ প্রয়োগ করে ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা হয়েছে। এমনকি একটি কেন্দ্রে সাতবার ভোট গণনা করা হয়েছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মিডিয়ার মাধ্যমেও ফলাফলকে প্রভাবিত বা ‘ম্যানুপুলেট’ করার চেষ্টা চলছে।

ঢাকা-৮ আসনের পাশাপাশি ঢাকা-১১, ১৫, ১৬ ও ১৭ আসনেও ভোট গণনায় অনিয়ম ও টেম্পারিংয়ের অভিযোগ করেন এনসিপির এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, বেশ কয়েকটি আসনে মাত্র ২০০ থেকে ৫০০ ভোটের ব্যবধানে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন, যা সন্দেহজনক। বিশেষ করে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের আসনগুলোতেই এই ধরনের অনিয়মের অভিযোগ বেশি।

তবে আসিফ মাহমুদ স্পষ্ট করেন, “সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, জাতীয় নাগরিক পার্টি তাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় সহযোগিতা করবে। কিন্তু বিভ্রান্তিকর ও প্রশ্নবিদ্ধ ফলাফলের মাধ্যমে কেউ ক্ষমতায় এলে সেটি গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এতে জনগণের আস্থার সংকট তৈরি হবে।”

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ