বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারে আবারো চলছে দাম বৃদ্ধির পালা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সম্প্রতি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক লাফে প্রতি ভরিতে ৮,৯০০ টাকা বৃদ্ধি করে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা এখন ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এই মূল্য নির্ধারণ বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাতে বাজুসের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার (৩০ […]
বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারে আবারো চলছে দাম বৃদ্ধির পালা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সম্প্রতি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক লাফে প্রতি ভরিতে ৮,৯০০ টাকা বৃদ্ধি করে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা এখন ২ লাখ ২ হাজার ৭০৯ টাকা। এই মূল্য নির্ধারণ বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাতে বাজুসের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হয়েছে।
গত কয়েকদিনে স্বর্ণের দামে ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। এর আগে ২৮ অক্টোবর স্বর্ণের দাম হঠাৎ কমে গিয়ে ২ লাখ টাকার নিচে নেমেছিল। কিন্তু এই নতুন দর বৃদ্ধির ফলে স্বর্ণের দাম আবারও ২ লাখ টাকার উচ্চসীমা পার করেছে, যা বাজারে স্বর্ণের চাহিদা ও সরবরাহের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির কারণে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট ও সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও যথাক্রমে ১ লাখ ৯৩,৫০৬ টাকা, ১ লাখ ৬৫,৮৬২ টাকা ও ১ লাখ ৩৭,৮৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।
স্বর্ণের বিক্রয়ের সময় অবশ্য সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে।
এই দামের ওঠানামা স্বর্ণের বাজারে বিনিয়োগকারী ও ক্রেতাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি সাধারণত অর্থনৈতিক অস্থিরতা, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা এবং স্থানীয় চাহিদার ওপর নির্ভর করে। তাই ক্রেতাদের উচিত বাজার পরিস্থিতি বুঝে যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নেওয়া। পাশাপাশি, স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধি দেশের রপ্তানি ও আমদানি ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি হলে সাধারণ ভোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের পক্ষে স্বর্ণ কেনা-বেড়া কিছুটা কঠিন হতে পারে, তবে এটি দীর্ঘমেয়াদে সঞ্চয়ের একটি নিরাপদ মাধ্যম হিসেবেই বিবেচিত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতি এই দাম বাড়ার পেছনে মূল কারণ।