কুয়াশা আর শীতল বাতাসের দাপটে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পুরোপুরি শীতের আমেজ নেমে এসেছে। বিশেষত রাতের দিকে বইতে থাকা ঠান্ডা হাওয়ায় শীতের উপস্থিতি এখন স্পষ্ট। এর মধ্যেই শনিবার (৬ ডিসেম্বর) মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিসেবে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বিস্তার পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকাজুড়ে […]
কুয়াশা আর শীতল বাতাসের দাপটে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পুরোপুরি শীতের আমেজ নেমে এসেছে। বিশেষত রাতের দিকে বইতে থাকা ঠান্ডা হাওয়ায় শীতের উপস্থিতি এখন স্পষ্ট। এর মধ্যেই শনিবার (৬ ডিসেম্বর) মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিসেবে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বিস্তার পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকাজুড়ে অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে, যার একটি অংশ প্রসারিত হয়ে উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পৌঁছেছে।
এই আবহাওয়া পরিস্থিতিতে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) একই সময় পর্যন্ত সারাদেশেই আংশিক মেঘলা আকাশের মাঝে শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। ভোরের দিকে অনেক জায়গায় হালকা কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
একই সময়ে রাত ও দিনের তাপমাত্রায় তেমন কোনো পরিবর্তন নাও দেখা যেতে পারে বলে জানান আবুল কালাম মল্লিক। বর্ধিত ৫ দিনের পূর্বাভাসেও বড় ধরনের আবহাওয়ার পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি সময়কালে দেশে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। এ সময় শিলাবৃষ্টি ও বজ্রঝড় হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, এ তিন মাসে দেশে ৩ থেকে ৮টি মৃদু (৮–১০°) থেকে মাঝারি (৬–৮°) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র (৪–৬°) আকারে দেখা দিতে পারে।