২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগমুহূর্তে ফিফাকে ঘিরে নতুন করে অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সাম্প্রতিক কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা। অন্যদিকে একই বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক মেক্সিকো অবস্থান নিয়েছে ইনফান্তিনোর পক্ষে। বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ফিফার টুর্নামেন্টগুলোর শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির উদ্যোগ। এই পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই […]
ছবি: সংগৃহীত
২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগমুহূর্তে ফিফাকে ঘিরে নতুন করে অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সাম্প্রতিক কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা। অন্যদিকে একই বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক মেক্সিকো অবস্থান নিয়েছে ইনফান্তিনোর পক্ষে।
বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ফিফার টুর্নামেন্টগুলোর শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির উদ্যোগ। এই পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে সমালোচনা বাড়তে থাকে। ফিফার অভ্যন্তরেও এ নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে আলোচনা চলছে।
সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, ২০২৬ বিশ্বকাপের তিন সহ-আয়োজক দেশের অবস্থান এ ইস্যুতে এক নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা ইনফান্তিনোর উদ্যোগের বিরোধিতা করলেও মেক্সিকো তার নীতির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান অবশ্য পুরোপুরি দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানের সঙ্গে মিলছে না। ট্রাম্প প্রকাশ্যেই ইনফান্তিনোর পাশে রয়েছেন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অবস্থান এবং ফিফা-সংক্রান্ত বৃহত্তর অবস্থানের মধ্যেও ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে।
অন্যদিকে মেক্সিকো ইনফান্তিনোর সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে তিন আয়োজক দেশের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অবস্থান তুলে ধরেছে। বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক একটি টুর্নামেন্টের ঠিক আগে আয়োজক দেশগুলোর এমন বিভক্ত অবস্থান বিষয়টিকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলেছে।
ফিফার টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক অধিকার ও বিনিয়োগ কাঠামো নিয়ে ইনফান্তিনোর উদ্যোগ এরই মধ্যে সংস্থার নেতৃত্বকে ঘিরে বিতর্ক বাড়িয়েছে। সমালোচকদের কাছে এটি ফিফার ভবিষ্যৎ পরিচালনা ও আর্থিক কাঠামো নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করছে।
২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলোর মধ্যেই যখন এ বিষয়ে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, তখন টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ফিফার নেতৃত্বকে ঘিরে এই বিরোধ আরও কতটা বিস্তৃত হয়, সেদিকেই এখন নজর বিশ্ব ফুটবল মহলের।
বিশ্বকাপের মাঠের লড়াই শুরুর আগেই ফিফার শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে আয়োজক দেশগুলোর এই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিভাজন তাই টুর্নামেন্টের বাইরেও একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।