সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বিশ্ব
৪:২৫ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে গাজা: জাতিসংঘ

গাজা উপত্যকা বিশ্বের ইতিহাসে নথিভুক্ত সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটগুলোর একটির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা ইউএনসিটিএডি। সংস্থাটির নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে গাজার ৯২ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। একই সময়ে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্রতিবেদন […]

বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে গাজা: জাতিসংঘ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

গাজা উপত্যকা বিশ্বের ইতিহাসে নথিভুক্ত সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটগুলোর একটির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা ইউএনসিটিএডি। সংস্থাটির নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে গাজার ৯২ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। একই সময়ে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে ইউএনসিটিএডির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব পেদ্রো ম্যানুয়েল মোরেনো বলেন, গাজার অর্থনীতির বর্তমান বিপর্যয় বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটগুলোর একটি। দীর্ঘদিনের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি চলমান যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইউএনসিটিএডির প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় ৯২ শতাংশ ব্যবসা ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে সেখানে মাথাপিছু দৈনিক মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) মাত্র ০.৫৮ ডলারে নেমে এসেছে। ২০২২ সালের তুলনায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে প্রায় ২৭৪ শতাংশ।

সংস্থাটির ফিলিস্তিনি সহায়তা বিষয়ক সমন্বয়কারী মুতাসিম এলাগ্রা জানান, ২০২৩ সালের অক্টোবরের আগে গাজার প্রতি তিনজন বাসিন্দার মধ্যে প্রায় দুজন দারিদ্র্যের মধ্যে ছিলেন। এখন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে প্রায় পুরো জনগোষ্ঠীই বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের মুখে পড়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার শিল্প কার্যক্রম ও কৃষি উৎপাদন ৯৪ শতাংশ কমে গেছে। মোট আবাদি জমির মাত্র ১ দশমিক ৫ শতাংশ বর্তমানে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। ফলে খাদ্য ও অন্যান্য মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে গাজার বাসিন্দারা প্রায় পুরোপুরি মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।

ইউএনসিটিএডি একই প্রতিবেদনে অধিকৃত পশ্চিম তীরের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির মতে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডগুলোর অর্থনীতি ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

এ ধরনের পরিস্থিতির অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও মানবিক প্রভাবও পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের সংস্থাটি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ