জ্বালানি তেলের নতুন মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। তার মতে, বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রবণতা থাকলেও দেশে উল্টো দাম বাড়ানো “খুবই দুঃখজনক” সিদ্ধান্ত। সরকার সম্প্রতি ভোক্তা পর্যায়ে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বলছে, এই সমন্বয় আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করা হয়েছে। […]
ছবি: সংগৃহীত
জ্বালানি তেলের নতুন মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান। তার মতে, বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রবণতা থাকলেও দেশে উল্টো দাম বাড়ানো “খুবই দুঃখজনক” সিদ্ধান্ত।
সরকার সম্প্রতি ভোক্তা পর্যায়ে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বলছে, এই সমন্বয় আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করা হয়েছে।
তবে বিরোধীদলীয় এই নেতা সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে প্রশ্ন তুলেছেন—যখন বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম নিম্নমুখী, তখন দেশে দাম বাড়ানোর যৌক্তিকতা কোথায়?
তিনি আরও বলেন, এমনিতেই উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি জনজীবনে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করবে। তার ভাষায়, এটি হবে “মরার ওপর খাঁড়ার ঘা”।
সব মিলিয়ে, জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে—বিশেষ করে যখন বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে স্থানীয় সিদ্ধান্তের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।