রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় ২২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। একই সঙ্গে ৪ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির পরিদর্শক শাহ জালাল মুন্সী আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে ভবনটির বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও ব্যবসা […]
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় ২২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। একই সঙ্গে ৪ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির পরিদর্শক শাহ জালাল মুন্সী আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগপত্রে ভবনটির বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক, ব্যবস্থাপক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্ত শেষে মোট ৪ জনকে দায়মুক্তির সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজন মারা যাওয়ায় এবং বাকি দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে।
সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই ভবনটিতে অবৈধভাবে হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, নিয়ম না মেনে গ্যাস সিলিন্ডার ও বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহারের কারণেই আগুনের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, এসব অনিয়মের জেরে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১০টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৪৬ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে তিনজনের মরদেহ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।
ঘটনায় আরও ১১ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং জীবিত উদ্ধার করা হয় ৭৫ জনকে।
অগ্নিকাণ্ডের পরদিন ১ মার্চ রমনা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। মামলায় অবহেলা, ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে ব্যবসা পরিচালনা এবং এর ফলে প্রাণহানির অভিযোগ আনা হয়।