জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং ১১ দলীয় জোটের পঞ্চগড়-১ আসনের প্রার্থী সারজিস আলম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে জীবন ও রক্ত দেবেন, কিন্তু একটি ভোটও চুরি করতে দেবেন না। কেউ ভোট কারচুপির চেষ্টা করলে তার একমাত্র গন্তব্য হবে হাসপাতাল। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড় পৌর শহরের জালাসী এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে […]
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং ১১ দলীয় জোটের পঞ্চগড়-১ আসনের প্রার্থী সারজিস আলম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে জীবন ও রক্ত দেবেন, কিন্তু একটি ভোটও চুরি করতে দেবেন না। কেউ ভোট কারচুপির চেষ্টা করলে তার একমাত্র গন্তব্য হবে হাসপাতাল।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড় পৌর শহরের জালাসী এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে সারজিস আলম বলেন, কোনো ধরনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা গোপন নীলনকশা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হলে তার পরিণতি ভয়াবহ হবে। অতীতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারদের পরিণতি যেন সংশ্লিষ্টরা স্মরণে রাখেন।
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পঞ্চগড় পৌরসভাকে দেশের অন্যতম আধুনিক ও উন্নত পৌরসভায় রূপান্তর করা হবে। একই সময়ে তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারীকে পৌরসভায় উন্নীত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হবে।
কৃষকদের দুর্দশার কথা তুলে ধরে সারজিস বলেন, বিএনপির শাসনামলে সার সংগ্রহ করতে গিয়ে বহু কৃষক গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। পঞ্চগড়ের কৃষকদের জন্য সার, কীটনাশক, ন্যায্যমূল্যে ফসল বিক্রি এবং চা চাষিদের সুরক্ষায় কোনো ধরনের রক্তচোষা সিন্ডিকেটকে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না বলে তিনি অঙ্গীকার করেন।
তিনি বলেন, পঞ্চগড়ের প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা হবে এবং জেলাটিকে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করা হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি মানুষের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
বক্তব্যের শেষাংশে সারজিস আলম বলেন, এই নির্বাচনে বিএনপি পরাজিত হলেও তাদের নেতাকর্মীরা যদি কোনো অপরাধে জড়িত না থাকেন, তাহলে ভবিষ্যতে তারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গণতান্ত্রিক রাজনীতি করার সুযোগ পাবেন।