পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে দেওয়া এক বক্তব্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ হবে “আমেরিকা মুক্ত” এবং বিদেশি প্রভাবমুক্ত একটি অঞ্চল।এক ভাষণে তিনি দাবি করেন, বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো নিজেদের সম্পদ, কৌশলগত অবস্থান ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আরও স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সক্ষম।মোজতবা খামেনি বলেন, “এই অঞ্চলের উজ্জ্বল […]
ছবি: সংগৃহীত
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে দেওয়া এক বক্তব্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ হবে “আমেরিকা মুক্ত” এবং বিদেশি প্রভাবমুক্ত একটি অঞ্চল।
এক ভাষণে তিনি দাবি করেন, বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো নিজেদের সম্পদ, কৌশলগত অবস্থান ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আরও স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সক্ষম।
মোজতবা খামেনি বলেন, “এই অঞ্চলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ হবে এমন এক ভবিষ্যৎ, যেখানে বিদেশি শক্তির আধিপত্য থাকবে না। অঞ্চলটি তখন কেবল এখানকার জনগণের অগ্রগতি, স্বাচ্ছন্দ্য ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করবে।”
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও উন্নয়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো বহিরাগত শক্তির উপস্থিতি। তার মতে, আঞ্চলিক দেশগুলো যদি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে, তাহলে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা জোর দিয়ে বলেন, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো গেলে বিদেশি সামরিক ও রাজনৈতিক নির্ভরতা কমবে। দীর্ঘমেয়াদে এটি পুরো অঞ্চলের জনগণের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ঘিরে বাড়তে থাকা বিরোধের প্রেক্ষাপটেই মোজতবা খামেনির এই বক্তব্য এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং জ্বালানি রাজনীতি ঘিরে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল-জাজিরা