সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১:৫০ পিএম, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামের বাড়ি থেকে বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় নামে এক যুবতীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নীহাররঞ্জন মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ির দোতলার একটি কক্ষ থেকে বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশের প্রাথমিক […]

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামের বাড়ি থেকে বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় নামে এক যুবতীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নীহাররঞ্জন মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ির দোতলার একটি কক্ষ থেকে বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বৃষ্টি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকাল ৯টার দিকে দোতলার একটি ঘরে বৃষ্টিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। ঘরের সিলিং ফ্যানে সাদা রঙের একটি ধুতি বাঁধা ছিল। সেটির সঙ্গে ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।

চাকরি হারানোর পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন

বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় বোলপুর হাই স্কুলে করণিক পদে কর্মরত ছিলেন। তবে ২০২৩ সালের মার্চে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে তার চাকরি বাতিল হয়ে যায়।

তখন বৃষ্টির বাবা নীহাররঞ্জন মুখোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, তার মেয়ে পড়াশোনায় ভালো ছিলেন এবং নিজের যোগ্যতাতেই চাকরি পেয়েছিলেন। চাকরি পাওয়ার জন্য তিনি কোনো ধরনের তদবির করেননি বলেও জানিয়েছিলেন।

চাকরি হারানোর পর প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেননি বৃষ্টি—এমনটাই দাবি তার ঘনিষ্ঠজনদের। এর মধ্যে সম্প্রতি তার বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও শুরু হয়। চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা জটিলতার কারণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

পরিবারের এক সদস্য জানান, গত চার থেকে পাঁচ বছর ধরে বৃষ্টি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তার চিকিৎসা চলছিল এবং নিয়মিত ওষুধও সেবন করতেন তিনি।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে বৃষ্টির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের পরই মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ