Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
৪:৩৫ পিএম, ৩০ জুলাই ২০২৬

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও নৌ-অবরোধ এড়িয়ে মালয়েশিয়া হয়ে চীনে যাচ্ছে ইরানের তেল

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক নৌ-অবরোধের তোয়াক্কা না করে মালয়েশিয়ার উপকূলকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে চীনে ইরানের অপরিশোধিত তেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। আল জাজিরার এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ১,২০০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত মালয়েশিয়ার ‘ইস্টার্ন আউটার পোর্ট লিমিটস’ এলাকাটি এখন নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেল কেনাবেচার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। গত ২৫ জুলাই ইরানের ৩৩০ মিটার […]

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও নৌ-অবরোধ এড়িয়ে মালয়েশিয়া হয়ে চীনে যাচ্ছে ইরানের তেল

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক নৌ-অবরোধের তোয়াক্কা না করে মালয়েশিয়ার উপকূলকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে চীনে ইরানের অপরিশোধিত তেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। আল জাজিরার এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ১,২০০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত মালয়েশিয়ার ‘ইস্টার্ন আউটার পোর্ট লিমিটস’ এলাকাটি এখন নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেল কেনাবেচার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। গত ২৫ জুলাই ইরানের ৩৩০ মিটার দীর্ঘ তেলবাহী জাহাজ ‘হিউম্যানিটি’ নিজ ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বন্ধ রেখে এই এলাকায় অবস্থান নেয়। মূলত আন্তর্জাতিক জলসীমায় এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে তেল স্থানান্তরের (Ship-to-Ship Transfer) মাধ্যমে তেলের আসল উৎস গোপন করার অনানুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া চালায় এই নেটওয়ার্কটি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের উৎপাদিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই কিনে থাকে চীন, যার বড় একটি অংশ সরবরাহ করা হয় দেশটির স্বাধীন ও ছোট তেল শোধনাগারগুলোতে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিটাইম সিকিউরিটি মনিটরিং প্রকল্পের পরিচালক রে পাওয়েল জানান, চলতি বছরের শুরু থেকে এমন অন্তত ৬২টি জাহাজ শনাক্ত করা হয়েছে, যেগুলো ভুয়া বা বাতিল পরিচয় ব্যবহার করে তেল পরিবহন করছে। তা ছাড়া গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন নজরদারিতে থাকা সুইফট (SWIFT) নেটওয়ার্ক এড়াতে এসব জ্বালানি লেনদেনের মূল্য পরিশোধ করা হচ্ছে চীনের নিজস্ব আন্তসীমান্ত পরিশোধ ব্যবস্থা (CIPS)-এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ চীনা মুদ্রায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ ইরানের এই ‘ছায়া নৌবহর’ (Shadow Fleet)-এর সঙ্গে জড়িত ৬টি তেলবাহী জাহাজ এবং হংকং ও চীনভিত্তিক ৫টি প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তবে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট চীনের তেল ক্রয় কমার দাবি করলেও, বাস্তবে দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থানরত অন্তত ৫০টি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত জাহাজ ভিন্ন ইঙ্গিত দিচ্ছে। সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে আন্তর্জাতিক বাজার পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, বরং মধ্যস্বত্বভোগীদের সহায়তায় কৌশল ও বিকল্প লেনদেন পথ বদলে নিয়ে এই বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা হচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ