সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বাংলাদেশ
৫:৩৬ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেয়ের পোষা ছাগল চুরির ঘটনাকে জীবনের অন্যতম হৃদয়বিদারক ঘটনা বললেন আসিফ নজরুল

ছোট মেয়ের পোষা ছাগল চুরির ঘটনাকে নিজের জীবনের অন্যতম হৃদয়বিদারক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে অংশ নিয়ে এ ঘটনা নিয়ে কথা বলেন তিনি। আসিফ নজরুল জানান, ছাগলটি তার সাড়ে ৯ বছর […]

মেয়ের পোষা ছাগল চুরির ঘটনাকে জীবনের অন্যতম হৃদয়বিদারক ঘটনা বললেন আসিফ নজরুল

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ মিনিটে পড়ুন |

ছোট মেয়ের পোষা ছাগল চুরির ঘটনাকে নিজের জীবনের অন্যতম হৃদয়বিদারক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে অংশ নিয়ে এ ঘটনা নিয়ে কথা বলেন তিনি।

আসিফ নজরুল জানান, ছাগলটি তার সাড়ে ৯ বছর বয়সী ছোট মেয়ের খুব প্রিয় ছিল। হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবনে মেয়েটি একাকিত্ব কাটাতে ছাগলটি পুষত। প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার সময় ছাগলটি তার অপেক্ষায় থাকত এবং স্কুল থেকে ফিরে মেয়েটি তার সঙ্গে খেলত। এমনকি মেয়ের মোবাইল ফোনের ওয়ালপেপারেও ছাগলটির ছবি ছিল বলে জানান তিনি।

তার ভাষ্য, ছাগলটি হারিয়ে যাওয়ার পর তার মেয়ে মারাত্মকভাবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। কাঁদতে কাঁদতে বমি করা এবং প্রায় দেড় দিন খাবার না খাওয়ার কথাও জানান তিনি।

আসিফ নজরুল বলেন, ছাগলটি পরে জবাই করে খাওয়া হয়েছিল—এই তথ্য এখনো তার মেয়েকে জানানো হয়নি। মেয়েকে বলা হয়েছে, দরজা খোলা থাকায় ছাগলটি বের হয়ে হারিয়ে গেছে। সত্যটি জানলে শিশুটি আরও বেশি ভেঙে পড়বে বলে পরিবার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রাজনৈতিক প্রতিশোধের দাবি নাকচ

ছাগলটি রাজনৈতিক প্রতিশোধের অংশ হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল—এমন ধারণা নাকচ করেছেন আসিফ নজরুল। তার দাবি, ঘটনাটির সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের কোনো সম্পর্ক ছিল না; কেবল মজা করার উদ্দেশ্যেই ছাগলটি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে একটি শিশুর পোষা প্রাণী চুরি করে জবাই করে খাওয়ার মতো কাজ হলে সেটি অত্যন্ত নির্মম ও অমানবিক আচরণ হতো।

ছাগলটি কীভাবে জবাই করা হয়েছিল, সে সম্পর্কেও তিনি বিস্তারিত বলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে একটি বঁটি দিয়ে ছাগলটি কাটা যাচ্ছিল না। পরে কারওয়ান বাজার থেকে ধারালো বঁটি এনে সেটি জবাই করা হয়।

ছাত্রনেতাদের সঙ্গে বিরোধ ছিল না

ছাগল চুরির ঘটনাকে ছাত্রনেতাদের সঙ্গে তার বিরোধের ফল হিসেবে দেখানোরও বিরোধিতা করেন আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আখতার হোসেন ও মাহফুজ আলমের সঙ্গে তার শেষ পর্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক ছিল।

তিনি জানান, সাবেক ছাত্রনেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় যোগাযোগ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় ছিল। নাহিদ ইসলামদের পক্ষ থেকে সরকার গঠনের পর তাদের প্রথম একটি অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

২০২৪ সালের ঘটনা

২০২৪ সালের শেষ দিকে হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবন থেকে আসিফ নজরুলের ছোট মেয়ের পোষা ছাগলটি নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। পরে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

এতদিন পর টেলিভিশন আলোচনায় সেই ঘটনার ব্যক্তিগত দিক তুলে ধরে আসিফ নজরুল বলেন, ঘটনাটি তার পরিবারের জন্য বিশেষ করে মেয়েটির জন্য অত্যন্ত কষ্টের ছিল।

সূত্র: কালবেলা, বাংলাদেশ টাইমসছাগল চুরির ঘটনাকে জীবনের অন্যতম হৃদয়বিদারক ঘটনা বললেন আসিফ নজরুল

ছোট মেয়ের পোষা ছাগল চুরির ঘটনাকে নিজের জীবনের অন্যতম হৃদয়বিদারক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে অংশ নিয়ে এ ঘটনা নিয়ে কথা বলেন তিনি।

আসিফ নজরুল জানান, ছাগলটি তার সাড়ে ৯ বছর বয়সী ছোট মেয়ের খুব প্রিয় ছিল। হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবনে মেয়েটি একাকিত্ব কাটাতে ছাগলটি পুষত। প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার সময় ছাগলটি তার অপেক্ষায় থাকত এবং স্কুল থেকে ফিরে মেয়েটি তার সঙ্গে খেলত। এমনকি মেয়ের মোবাইল ফোনের ওয়ালপেপারেও ছাগলটির ছবি ছিল বলে জানান তিনি।

তার ভাষ্য, ছাগলটি হারিয়ে যাওয়ার পর তার মেয়ে মারাত্মকভাবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। কাঁদতে কাঁদতে বমি করা এবং প্রায় দেড় দিন খাবার না খাওয়ার কথাও জানান তিনি।

আসিফ নজরুল বলেন, ছাগলটি পরে জবাই করে খাওয়া হয়েছিল—এই তথ্য এখনো তার মেয়েকে জানানো হয়নি। মেয়েকে বলা হয়েছে, দরজা খোলা থাকায় ছাগলটি বের হয়ে হারিয়ে গেছে। সত্যটি জানলে শিশুটি আরও বেশি ভেঙে পড়বে বলে পরিবার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রাজনৈতিক প্রতিশোধের দাবি নাকচ

ছাগলটি রাজনৈতিক প্রতিশোধের অংশ হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল—এমন ধারণা নাকচ করেছেন আসিফ নজরুল। তার দাবি, ঘটনাটির সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের কোনো সম্পর্ক ছিল না; কেবল মজা করার উদ্দেশ্যেই ছাগলটি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে একটি শিশুর পোষা প্রাণী চুরি করে জবাই করে খাওয়ার মতো কাজ হলে সেটি অত্যন্ত নির্মম ও অমানবিক আচরণ হতো।

ছাগলটি কীভাবে জবাই করা হয়েছিল, সে সম্পর্কেও তিনি বিস্তারিত বলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে একটি বঁটি দিয়ে ছাগলটি কাটা যাচ্ছিল না। পরে কারওয়ান বাজার থেকে ধারালো বঁটি এনে সেটি জবাই করা হয়।

ছাত্রনেতাদের সঙ্গে বিরোধ ছিল না

ছাগল চুরির ঘটনাকে ছাত্রনেতাদের সঙ্গে তার বিরোধের ফল হিসেবে দেখানোরও বিরোধিতা করেন আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আখতার হোসেন ও মাহফুজ আলমের সঙ্গে তার শেষ পর্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক ছিল।

তিনি জানান, সাবেক ছাত্রনেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় যোগাযোগ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় ছিল। নাহিদ ইসলামদের পক্ষ থেকে সরকার গঠনের পর তাদের প্রথম একটি অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

২০২৪ সালের ঘটনা

২০২৪ সালের শেষ দিকে হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবন থেকে আসিফ নজরুলের ছোট মেয়ের পোষা ছাগলটি নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। পরে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

এতদিন পর টেলিভিশন আলোচনায় সেই ঘটনার ব্যক্তিগত দিক তুলে ধরে আসিফ নজরুল বলেন, ঘটনাটি তার পরিবারের জন্য বিশেষ করে মেয়েটির জন্য অত্যন্ত কষ্টের ছিল।

সূত্র: কালবেলা, বাংলাদেশ টাইমস

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ