দি বাংলা ভয়েস ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসার কার্যক্রম ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনেই চলবে। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম এই তথ্য জানিয়েছে। তবে তিনি বলেন, দেশে প্রবেশকারী প্রত্যেকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কঠোর মানদণ্ড অবশ্যই পূরণ করতে হবে। ডিএইচএস সেক্রেটারি নোয়েম গত প ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এখন থেকে দেশে ভিসা […]
দি বাংলা ভয়েস ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসার কার্যক্রম ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনেই চলবে। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম এই তথ্য জানিয়েছে। তবে তিনি বলেন, দেশে প্রবেশকারী প্রত্যেকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কঠোর মানদণ্ড অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
ডিএইচএস সেক্রেটারি নোয়েম গত প ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এখন থেকে দেশে ভিসা ও গ্রিন কার্ডের প্রক্রিয়া আগের তুলনায় আরও দ্রুততর ও নিরাপদ করা হয়েছে। আগের তুলনায় আরও বেশি মানুষ এখন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাচ্ছে বলে জানান তিনি।

নোয়েম আরও যোগ করেন, তবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা এইচ-১বি ভিসাধারীদের অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, ভিসাধারীরা সন্ত্রাসী সংগঠনের সমর্থক নন। তারা সঠিক কারণ বা উদ্দেশ্যে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রেকে ঘৃণা করে এমন কোনও সংগঠনকে সমর্থন করছেন না।
একই সাথে বাইডেন প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করেন নোয়েম। তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট হাজার হাজার সন্ত্রাসীকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছিলেন এবং তারা প্রতিরক্ষামূলক অভিবাসন কর্মসূচির অপব্যবহার করেছেন।
উল্লেখ্য, অভিবাসন-বিরোধী বিষয়ে কঠোর অবস্থান ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে জয়লাভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই তিনি অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি ঘোষণা করেন।
এর আগে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে, ট্রাম্প নতুন এইচ-১বি ভিসা আবেদনে নিয়োগকর্তাদের জন্য ১ লাখ ডলারের নতুন এককালীন ফি ঘোষণা করেন।