হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ১৪ কেজি সোনা উদ্ধারের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনিক্যাল হেলপার সজীব কাজীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা ওই আবেদন […]
ছবি: সংগৃহীত
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ১৪ কেজি সোনা উদ্ধারের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনিক্যাল হেলপার সজীব কাজীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিন সজীব কাজীর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। মামলার তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ৫ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তল্লাশি চালানো হয়।
এ সময় নিরাপত্তাকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে বিমানের কেবিনে থাকা সজীবকে সন্দেহজনকভাবে চলাফেরা করতে দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে, তল্লাশির বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি শরীরে লুকিয়ে রাখা সোনার বারগুলো কেবিনের ভেতরে ফেলে দেন।
পরে কেবিন থেকে একটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। ওই প্যাকেট খুলে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় ১২০টি সোনার বার পাওয়া যায়। পরীক্ষা করে এসব বারের মোট ওজন ১৩ হাজার ৯৯২ গ্রাম, অর্থাৎ প্রায় ১৪ কেজি। উদ্ধার হওয়া সোনা ২৪ ক্যারেটের এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ কোটি ২০ লাখ টাকা।
ঘটনার পর শাহজালাল বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়। মামলায় সোনার চোরাচালানের সঙ্গে সজীবের সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশের আগের রিমান্ড আবেদনে দাবি করা হয়েছিল, সজীব দীর্ঘদিন ধরে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বিদেশ থেকে অবৈধভাবে সোনা দেশে আনার সঙ্গে জড়িত। একই সঙ্গে চোরাচালান চক্রের মূলহোতা ও অন্য সহযোগীদের শনাক্ত করার জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালতকে জানানো হয়।
এখন মামলাটির তদন্ত চলছে। উদ্ধার করা বিপুল পরিমাণ সোনার উৎস এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।