সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

ফিচার
৭:২২ অপরাহ্ন, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও ভারত মিলে নেবে, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, শেখ হাসিনার সঙ্গে কী করা উচিত, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো নির্দিষ্ট কোনো অবস্থান নেয়নি। নিউইয়র্কে বুধবার এক অন-ব্যাকগ্রাউন্ড ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ট্রাম্প প্রশাসনের এই অবস্থান তুলে ধরেন। নিউইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে আয়োজিত […]

শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ও ভারত মিলে নেবে, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, শেখ হাসিনার সঙ্গে কী করা উচিত, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো নির্দিষ্ট কোনো অবস্থান নেয়নি।

নিউইয়র্কে বুধবার এক অন-ব্যাকগ্রাউন্ড ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ট্রাম্প প্রশাসনের এই অবস্থান তুলে ধরেন। নিউইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকরা অংশ নেন।

শেখ হাসিনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে ওয়াশিংটন এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি। তার মতে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় বিরোধের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দুই দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধান করবে বলে যুক্তরাষ্ট্র আশা করছে।

২০২৪ সালের গণআন্দোলনের পর ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার অনুপস্থিতিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে। তবে শেখ হাসিনা ওই বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছেন।

ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়। জবাবে মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারকেই নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করতে চান না বলেও জানান।

বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সম্পর্ক প্রসঙ্গে ওই কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে এবং বিএনপির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালো অবস্থায় রয়েছে। নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহের কথাও জানান তিনি।

বাংলাদেশ কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে, সে বিষয়েও ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশকে কোনো একটি দেশকে বেছে নিতে বলা হচ্ছে না। বরং যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের একটি বিকল্প অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের সামনে রাখতে চায়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য বৈঠক নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। ওই কর্মকর্তা বলেন, প্রেসিডেন্টের সময়সূচি সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারবেন না। তবে চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে ট্রাম্পের সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ হয়েছে এবং তাদের ছবি তোলার সুযোগও হয়েছে বলে জানান তিনি।

ব্রিফিংয়ের আগে নিউইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিথানী মরিসন দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি নিয়ে বক্তব্য দেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কম

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ