সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং অভিন্ন নদীগুলোতে একতরফাভাবে বাঁধ দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়ে তোলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। শনিবার চট্টগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়ন করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। […]
ছবি: সংগৃহীত
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং অভিন্ন নদীগুলোতে একতরফাভাবে বাঁধ দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়ে তোলা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
শনিবার চট্টগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়ন করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে পরিচালিত কোনো সরকার দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে না।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনো অনিয়ম, বৈষম্য এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা বিদ্যমান রয়েছে। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় সংস্কার না হওয়ায় জনগণের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার যদি দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন না করে, তাহলে জনগণ আবারও আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবে। তিনি দাবি করেন, দেশের মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকার ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য যে প্রত্যাশা নিয়ে পরিবর্তন চেয়েছিল, তা এখনো পূরণ হয়নি।
সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় আবারও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় দেশের জনগণ উদ্বিগ্ন। সীমান্তে দেশের স্বার্থ রক্ষায় জনগণ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী একসঙ্গে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক অবশ্যই প্রয়োজন। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে পারস্পরিক সম্মান, ন্যায্যতা এবং সমঅধিকারের ভিত্তিতে। সীমান্তে কাঁটাতার কিংবা নদীর পানিপ্রবাহে একতরফা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বন্ধুত্বের পরিবেশ তৈরি করা যায় না।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, দুর্নীতি, বৈষম্য ও জবাবদিহিহীনতার বিরুদ্ধে জনগণ সবসময় সোচ্চার থাকবে। সরকারকে দ্রুত সংস্কার এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।